টটেনহ্যাম এবং ম্যানচেস্টার সিটি ১ ফেব্রুয়ারি প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ২-১ স্কোরে টটেনহ্যাম জয় অর্জন করে। ডমিনিক সোলাঙ্কের চমকপ্রদ গোল দলকে বিজয়ী করে তুলেছে এবং শিরোপা লড়াইয়ে আর্সেনালের সামনে ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্ট ঘাটতি বাড়িয়ে দেয়।
প্রথমার্ধে ম্যানচেস্টার সিটি আধিপত্য বজায় রাখে, রায়ান চেরকি এবং অঁতোয়ান সেমেন্যো দলের আক্রমণকে ত্বরান্বিত করে। তবে টটেনহ্যামের রক্ষার দুর্বলতা এবং মাঝখানে গৃহীত কৌশলগত পরিবর্তনের ফলে তারা অর্ধেক সময়ে শূন্যে আটকে যায়। অর্ধেকের পর টটেনহ্যামের সমর্থকরা দলকে তাড়া করে, কোচ থমাস ফ্র্যাঙ্কের ওপর চাপ বাড়ে।
অর্ধেক বিরতির পর টটেনহ্যাম পুনর্গঠন করে, এক্সাভি সিমন্সের দ্রুত গতি এবং পাসিং দলকে নতুন প্রাণ দেয়। সিমন্সের চালনা টটেনহ্যামের আক্রমণকে পুনরুজ্জীবিত করে, যা শেষার্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে রাদু দ্রাগুসিনের প্রথম স্টার্ট, ৩৭১ দিন পর, কিছুটা অপ্রস্তুত দেখায়, তবে তার উপস্থিতি দলের গভীরতা বাড়ায়।
দ্বিতীয়ার্ধে টটেনহ্যাম সমান স্কোরে পৌঁছায়, যখন কনর গ্যালাহারের ক্রস থেকে সোলাঙ্ক বলকে তার পেছনের বুটের বাইরের অংশ দিয়ে গিয়ান্লুইজি ডোনারুম্মার উপরে তুলে দেয়। এই শটকে স্কর্পিয়ন কিক বলা হয় এবং তা তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়, কারণ ম্যানচেস্টার সিটি মার্ক গুইহির ওপর সোলাঙ্কের ফাউল দাবি করে। তবু রেফারির সিদ্ধান্তে গোলটি বৈধ রয়ে যায় এবং টটেনহ্যাম ২-১ে এগিয়ে যায়।
গার্ডিওলা টাচলাইনে দৃশ্যমান হতাশা প্রকাশ করেন, দলের দ্বিতীয়ার্ধের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ম্যানচেস্টার সিটি বছরের শুরু থেকে সেভেন পয়েন্ট হারিয়েছে, বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে conced করা গোলগুলো তাদের শিরোপা স্বপ্নকে ঝুঁকিতে ফেলেছে। এই পরাজয়ের পর দলটি চারটি লিগ ম্যাচে চতুর্থ ড্র অর্জন করে, যার মধ্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে হারের পরেও তারা আর্সেনালের থেকে ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে।
টটেনহ্যামের এই জয় শুধুমাত্র তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় না, বরং শিরোপা প্রতিদ্বন্দ্বী আর্সেনালের জন্যও সুবিধা তৈরি করে। ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্ট ঘাটতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিরোপা শিরোনামের জন্য লড়াই তীব্রতর হয়। টটেনহ্যামের কোচ থমাস ফ্র্যাঙ্কের অধীনে দলটি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে উল্টো পথে গিয়ে সফলতা পেয়েছে, যা ভবিষ্যতে তাদের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
পরবর্তী ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটি পয়েন্ট পুনরুদ্ধার করার জন্য কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, আর টটেনহ্যাম তাদের জয়কে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়। শিরোপা লড়াইয়ের গতি দ্রুত পরিবর্তনশীল, এবং এই ফলাফল দু’দলই তাদের কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করবে।



