18 C
Dhaka
Monday, February 2, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাঅনূর্ধ্ব‑১৯ বিশ্বকাপ সুপার সিক্সে ভারত ও পাকিস্তান টস জিতে বোলিং, ক্যাপ্টেন না...

অনূর্ধ্ব‑১৯ বিশ্বকাপ সুপার সিক্সে ভারত ও পাকিস্তান টস জিতে বোলিং, ক্যাপ্টেন না দিলেন হ্যান্ডশেক

রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, অনূর্ধ্ব‑১৯ বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল মাঠে নামল। টস জিতে পাকিস্তান ক্রিকেট দল বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিল, আর দু’দলের অধিনায়ক টসের পর কোনো হ্যান্ডশেক না করে মাঠে প্রবেশ করলেন।

এই হ্যান্ডশেক না দেওয়ার রীতি গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব‑১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে শুরু হয়। সেই ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল ১৯১ রানের বড় ব্যবধানে ভারত ক্রিকেট দলকে পরাজিত করেছিল এবং দু’ক্যাপ্টেনই হাত না মিলিয়ে বিদায় নেয়।

মে মাসে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করার পর দুই দেশ এশিয়া কাপের আরেকটি মুখোমুখি খেলায়ও একই রীতি বজায় রাখে। পুরো টুর্নামেন্টে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন সালমান আগার ভারত ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে হ্যান্ডশেক এড়িয়ে চলেন।

মহিলাদের বিশ্বকাপেও একই দৃশ্য দেখা যায়। ভারত ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন হারমানপ্রীত কৌর পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন ফাতিমা সানা সঙ্গে হাত না মিলিয়ে খেলায় প্রবেশ করেন। এ রীতি এশিয়া কাপের ‘এ’ দলের ম্যাচেও পুনরাবৃত্তি হয়।

আজকের ম্যাচে ভারত ক্রিকেট দল প্রথমে ব্যাটিং করে ৪৯ ওভার ৫ উইকেটের পর ২৫২ রানে অলআউট হয়। দলের সর্বোচ্চ স্কোর ৬৮ রান তৈরি করেন দেভেন্ত ত্রিভেদী, যিনি মাঝারি গতি দিয়ে দলকে স্থিতিশীলতা দেন।

বৈভব সূর্যবংশী ৩০ রান যোগ করেন, আর অ্যাব্রিস ২৯ রান করে মাঝারি গতি ও রক্ষণশীল শটের সমন্বয় দেখান। কৌশিক চৌহানও ৩৫ রান করে দলে অতিরিক্ত সমর্থন যোগ করেন।

পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বলিং দিক থেকে সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করেন আব্দুল সোবহান, যিনি তিনটি উইকেট নেন। তার পরের সেরা পারফরম্যান্সে মোহাম্মদ সাইয়াম দুইটি উইকেট নিয়ে দলের বলিংকে সমর্থন করেন।

ইনিংসের শেষে ভারত ক্রিকেট দলকে ২৫২ রানে আটকে রেখে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে লক্ষ্য করতে হবে। পরবর্তী ম্যাচে দু’দল আবার মুখোমুখি হবে, যা টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

দুটি দলই ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং হ্যান্ডশেক না দেওয়ার রীতি বজায় রেখে খেলায় মনোনিবেশ করেছে। এই রীতি কেবল ক্রীড়া নয়, দুই দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনার প্রতিফলনও বটে।

ভবিষ্যতে এই রীতি অব্যাহত থাকবে কিনা তা অনিশ্চিত, তবে বর্তমান ম্যাচে দেখা যায় যে খেলোয়াড়রা মাঠে পারফরম্যান্সকে অগ্রাধিকার দিয়ে ঐতিহ্যকে সম্মান করছেন।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments