21 C
Dhaka
Sunday, February 1, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধইপস্টেইন ৭৫,০০০ ডলার লর্ড ম্যান্ডেলসনের সংযুক্ত হিসাবগুলোতে পাঠিয়েছেন

ইপস্টেইন ৭৫,০০০ ডলার লর্ড ম্যান্ডেলসনের সংযুক্ত হিসাবগুলোতে পাঠিয়েছেন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ শুক্রবার প্রকাশিত ব্যাংক রেকর্ডে দেখা যায়, জেফ্রি ইপস্টেইন ২০০৩ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে তিনটি আলাদা ২৫,০০০ ডলারের লেনদেনের মাধ্যমে মোট ৭৫,০০০ ডলার লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসনের নাম যুক্ত কিছু হিসাবের দিকে পাঠিয়েছেন।

প্রথম লেনদেনটি ১৪ মে ২০০৩ তারিখে হয়েছে; ইপস্টেইনের জে.পি. মরগ্যান অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বার্কলেজ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছে, যেখানে রেইনাল্ডো আভিলা দা সিলভা, ম্যান্ডেলসনের তখনকার সঙ্গী, অ্যাকাউন্ট ধারক হিসেবে উল্লেখ রয়েছে এবং পিটার ম্যান্ডেলসনকে সুবিধাভোগী (বেনিফিশিয়ারি) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এরপরের দুইটি লেনদেন জুন ২০০৪-এ ঘটেছে, উভয়ই এইচএসবিসি ব্যাংকের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রে পিটার ম্যান্ডেলসন একমাত্র নাম হিসেবে দেখা যায়, এবং প্রতিটি লেনদেনের পরিমাণ ২৫,০০০ ডলার।

ম্যান্ডেলসন এই লেনদেনগুলোর কোনো রেকর্ড বা স্মৃতি নেই বলে জানিয়েছেন এবং ডকুমেন্টের সত্যতা সম্পর্কে অনিশ্চিততা প্রকাশ করেছেন। তিনি ইপস্টেইনের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে, অপরাধী আর্থিক ব্যবসায়ীর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরেও সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন, বিশেষ করে যেসব নারী ও মেয়েরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের প্রতি তিনি স্পষ্টভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

একই ফাইলের অংশে ম্যান্ডেলসনের অশ্লীল ছবি প্রকাশ পেয়েছে; ছবিতে তিনি অন্তর্বাসে দাঁড়িয়ে আছেন এবং তার পাশে এক নারী রয়েছে, যার মুখ পরিষ্কারভাবে দেখা যায় না। ছবিটি রেড্যাক্টেড অবস্থায় পাওয়া গেছে, ফলে ছবির স্থান বা সময় সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ম্যান্ডেলসন স্বীকার করেছেন যে তিনি ছবিতে উপস্থিত নারীকে চেনেন না এবং ছবির শুটিংয়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে এই ছবিগুলোতে তার নাম বা চিত্র উপস্থিত থাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো অপরাধের ইঙ্গিত দেয় না।

এই ব্যাংক স্টেটমেন্টগুলো প্রথমবার ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস প্রকাশ করে, যা পরে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে থেকে প্রাপ্ত বৃহৎ পরিমাণের ডকুমেন্টের অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়। এই প্রকাশটি গত বছর থেকে আইনগত বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সরকারকে যে সর্বোচ্চ পরিমাণের ডকুমেন্ট শেয়ার করতে হয়, তার মধ্যে সর্ববৃহৎ বলে বিবেচিত।

প্রকাশিত ডকুমেন্টগুলোতে ইপস্টেইনের আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগের রেকর্ড এবং বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা তার অপরাধমূলক কার্যকলাপের বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরে। এই ফাইলগুলোতে ম্যান্ডেলসনের পাশাপাশি অন্যান্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তির নামও দেখা যায়, তবে সবই প্রমাণের চেয়ে তথ্যের তালিকা হিসেবে উপস্থাপিত।

ম্যান্ডেলসন ২০০৩-২০০৪ সময়কালে হার্টলপুলের শ্রমিক পার্টির সংসদীয় সদস্য ছিলেন, এবং তার সঙ্গী রেইনাল্ডো আভিলা দা সিলভা তখন তার পারিবারিক ও আর্থিক বিষয়গুলোতে যুক্ত ছিলেন। এই সময়ে ইপস্টেইনের সঙ্গে তার কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যবসায়িক সম্পর্কের রেকর্ড পাওয়া যায়নি।

ডকুমেন্টের প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল তদন্তকারী সংস্থাগুলো বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং ভবিষ্যতে অতিরিক্ত তদন্তের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্তমানে ম্যান্ডেলসনের নাম উল্লেখিত হওয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো অপরাধের সূচক নয়, এবং আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে তার বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এখনও দায়ের হয়নি।

এই তথ্যগুলোকে ভিত্তি করে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সম্ভাব্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনসাধারণের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments