21 C
Dhaka
Sunday, February 1, 2026
Google search engine
Homeব্যবসা৬ ফেব্রুয়ারি জাপান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ইপিএ স্বাক্ষর, বাণিজ্য সচিবের মন্তব্য

৬ ফেব্রুয়ারি জাপান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ইপিএ স্বাক্ষর, বাণিজ্য সচিবের মন্তব্য

৬ ফেব্রুয়ারি জাপান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান নির্ধারিত হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান Mahbubur Rahman এই চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা জানিয়েছেন। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি ঢাকা শহরের বাণিজ্য সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

বাণিজ্য সচিব Mahbubur Rahman রবিবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ইপিএর মূল বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ইপিএ দুই দেশের মধ্যে একটি মুক্তবাণিজ্য এলাকা গড়ে তোলার পরিকল্পনা, যা শুল্ক ও আমদানি কোটা হ্রাসের মাধ্যমে পণ্য ও সেবার বাণিজ্য বাড়াবে।

ইপিএর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক জাপানে ৭,৩৭৯টি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে, আর জাপান বাংলাদেশ ব্যাংকে ১,০৩৯টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এই পণ্য তালিকায় কৃষি, টেক্সটাইল, ইলেকট্রনিক্স এবং যন্ত্রপাতি সহ বিভিন্ন সেক্টরের পণ্য অন্তর্ভুক্ত।

চুক্তিতে জাপানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ৯৭টি উপ-খাত উন্মুক্ত করা হবে, যেখানে জাপান বাংলাদেশ ব্যাংকের ১২০টি উপ-খাতে চারটি সেবা মোডে প্রবেশের অনুমতি পাবে। এই সেবা মোডে আর্থিক, প্রযুক্তি, পর্যটন ও শিক্ষা সেবা অন্তর্ভুক্ত।

Mahbubur Rahman উল্লেখ করেন, এ ধরনের অর্থনৈতিক চুক্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য প্রথম। তিনি বলেন, এফটিএ (FTA) নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে গত বৃহস্পতিবারে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় সমাপ্তি হয়েছে এবং এই বছরের মধ্যে স্বাক্ষরের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে এফটিএর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং অন্যান্য বাজারে যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পায়, সেখানেও প্রস্তাব পাঠিয়ে আলোচনা শীঘ্রই শুরু হবে। এই পদক্ষেপগুলো দেশের রপ্তানি বাজারের বৈচিত্র্য বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাপান বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যতম বড় বাণিজ্য অংশীদার, এবং এই চুক্তি দু’দেশের অর্থনৈতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। বিশেষ করে, বাংলাদেশ ব্যাংক এলসিডি (LDC) গ্র্যাজুয়েশনের পর জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে এই ইপিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চুক্তির স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক জাপানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়, এবং জাপানি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে চায়। ভবিষ্যতে উভয় দেশের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

ইপিএ স্বাক্ষরের পর, উভয় পক্ষের বাণিজ্য পরিসংখ্যানের উন্নতি এবং সেবা খাতের সম্প্রসারণের সম্ভাবনা বাড়বে। তবে নতুন চুক্তির বাস্তবায়নে শুল্ক কাঠামো ও নিয়মাবলীর সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করা হবে, যাতে উভয় দেশের রপ্তানি-আমদানি কার্যক্রমে কোনো বাধা না থাকে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments