বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন গুলশানের অফিসে রবিবার দুপুরে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। তিনি জামায়াত-এ-ইসলামি আমিরের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকের দাবি এবং একই দিনে প্রকাশিত নারীবিদ্বেষী পোস্টের সময়সীমা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এই প্রশ্নের পেছনে হ্যাকের ঘোষণার সময় এবং পোস্টের পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে।
আমিরের এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত পোস্টে নারীদের প্রতি অপমানজনক ও অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছিল, যা সামাজিক মাধ্যমে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করে। পোস্টটি প্রকাশের প্রায় নয় ঘণ্টা পরে, রাত ১২টা ৪০ মিনিটে হ্যাকের দাবি উত্থাপিত হয়। এই সময়সীমা নিয়ে মাহদী আমিনের মন্তব্য বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
মাহদী আমিন গুলশানের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সামনে তার মতামত উপস্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে তাৎক্ষণিকভাবে জনগণকে জানানো উচিত, যাতে ভুল তথ্যের বিস্তার রোধ করা যায়। তবে এই ক্ষেত্রে হ্যাকের তথ্য জনমত গরম হওয়ার পরই প্রকাশিত হয়েছে, যা তিনি প্রশ্নবিদ্ধ করেন।
হ্যাকের দাবি প্রকাশের পর, মাহদী আমিন জোর দিয়ে বলেন যে, হ্যাকের প্রথম দায়িত্ব হল দ্রুত জনগণকে অবহিত করা, যাতে বিভ্রান্তি না ছড়ায়। তিনি উল্লেখ করেন, হ্যাকের ঘোষণার আগে যদি সত্যিই অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ ঘটে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত। কিন্তু হ্যাকের দাবি জনসাধারণের ক্ষোভের পরই



