26 C
Dhaka
Sunday, February 1, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকামরাঙ্গীরচরে ১৮ বছর বয়সীকে ৪ বছর বয়সী মেয়ের ধর্ষণের প্রচেষ্টায় গ্রেপ্তার

কামরাঙ্গীরচরে ১৮ বছর বয়সীকে ৪ বছর বয়সী মেয়ের ধর্ষণের প্রচেষ্টায় গ্রেপ্তার

ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় গত রাত্রি প্রায় ৮:৩০ টার দিকে ৪ বছর বয়সী এক মেয়ের ওপর ধর্ষণের প্রচেষ্টার অভিযোগে ১৮ বছর বয়সী এক যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা সন্দেহভাজনকে প্রাথমিকভাবে শারীরিকভাবে বাধা দিয়ে, পরে পুলিশ হস্তান্তর করেন।

কামরাঙ্গীরচর থানা অফিসার‑ইন‑চার্জ ওমর ফারুক জানান, গ্রেপ্তারকৃত যুবকটি শিকার পরিবারের প্রতিবেশী। তিনি বলেন, সন্দেহভাজন তার ভাড়া করা ঘরে শিশুটিকে লালন করার ছদ্মবেশে ডেকে নিয়ে, অনুপযুক্ত কাজ করার চেষ্টা করেছিল।

শিশুর বাবা জানান, তার সন্তানকে এক মুহূর্তের জন্য ঘরে নিয়ে গিয়ে, যখন মেয়েটি চিৎকার করতে থাকে, তখনই আশেপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে রক্ষা করে এবং সন্দেহভাজনকে আটকায়।

শিশুটির মা ঘটনাস্থলে অভিযোগ দায়ের করে, যা পুলিশকে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে বাধ্য করেছে। গ্রেপ্তারকৃত যুবককে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে প্রাথমিকভাবে হিংসাত্মকভাবে শাস্তি দেওয়া হয়, তবে পরে তাকে আইনগত পথে হস্তান্তর করা হয়।

শিশুটিকে রাত্রি ১১ টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসিএইচ) এ নিয়ে যাওয়া হয় প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য। সেখানে শিশুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের প্রাথমিক সেবা প্রদান করা হয়।

ডিএমসিএইচ-এ ভর্তি হওয়ার পর, শিশুটিকে অতিরিক্ত মেডিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুনরায় হাসপাতালে পাঠানো হবে, যা আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে করা হবে। এই পরীক্ষাগুলোতে শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা হবে।

পুলিশের মতে, গ্রেপ্তারকৃত যুবকের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ‘ধর্ষণের প্রচেষ্টা’ এবং ‘অপরাধে সহায়তা’ সংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলাটি স্থানীয় আদালতে দাখিলের পর, তদন্তের অগ্রগতি অনুসারে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত হবে।

অধিকন্তু, স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ঘটনাস্থলে জড়িত সকল সাক্ষীর বিবৃতি সংগ্রহ করেছে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালিয়ে যাবে। তদন্তের সময়সূচি ও ফলাফল অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিশুর নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষার জন্য, স্থানীয় সমাজসেবী সংস্থা ও শিশু কল্যাণ বিভাগকে জড়িত করা হয়েছে। তারা শিশুর পুনর্বাসন ও মানসিক সমর্থনের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে বলে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনার পর, কামরাঙ্গীরচর এলাকায় নিরাপত্তা বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ পেট্রোল বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। পাশাপাশি, শিশুদের সুরক্ষার জন্য সচেতনতা কর্মসূচি চালু করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, এই অপরাধমূলক ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে আদালতে মামলার ফলাফল ও শাস্তি নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments