মিনিয়াপলিসে বাস করা পাঁচ বছর বয়সী লিয়াম কনেজো রামোস এবং তার পিতা অ্যাড্রিয়ান আলেকজান্ডার কনেজো আরিয়াসকে টেক্সাসের একটি ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক করা হয়েছিল; যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল জাজ ফ্রেড বায়েরি ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের মুক্তি আদেশ করেন।
আটকাটি লিয়ামের বাড়ির গ্যারেজে ঘটেছিল, যেখানে তাকে নীল রঙের খরগোশের টুপি এবং স্পাইডার-ম্যান থিমের ব্যাকপ্যাক পরিহিত অবস্থায় ফটোগ্রাফ করা হয়েছিল।
পিতার নাম অ্যাড্রিয়ান আলেকজান্ডার কনেজো আরিয়াস, যাকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।
ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা দাবি করেন যে অপারেশনটি শিশুকে লক্ষ্য করে না, বরং পিতার ওপর কেন্দ্রীভূত, যাকে ‘অবৈধ অভিবাসী’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাকে সন্তান ত্যাগের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পরিবারের আইনজীবী মার্ক প্রোকশের জরুরি অনুরোধে জাজ বায়েরি জরুরি রিলিজের অনুমোদন দেন এবং সরকারকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পিতা ও সন্তানকে মুক্তি দিতে নির্দেশ দেন।
বায়েরি রায়ে উল্লেখ করেন যে বর্তমান ডিপোর্টেশন কোটার অনুসরণে সরকার দৈনন্দিন লক্ষ্য পূরণের জন্য অনুপযুক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করে, যা শিশুর মানসিক ক্ষতি ঘটাতে পারে।
বিল ক্লিন্টনের সময়কালে নিযুক্ত জাজ বায়েরি ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল ও মানবিক নীতি অনুসারে পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যক্তির অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার লোভ এবং নিষ্ঠুরতার প্রয়োগের ইচ্ছা কোনো মানবিক সীমা জানে না।
বিবিসি ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটিকে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করেছে, তবে এ মুহূর্তে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
আইনজীবী প্রোকশ জানান, লিয়াম ও তার পিতা বর্তমানে সান আন্তোনিও, টেক্সাসের ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে।
পরিবারটি ২০২৪ সালে ইকুয়েডর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের জন্য আসা ছিল এবং তারা যথাযথ অভিবাসন প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অভিবাসন নীতি কঠোর করার দিকে ঝুঁকেছে, যা এই ধরনের ডিটেনশনকে তীব্রতর করে তুলতে পারে।
বাজি রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ডিটেনশন সেন্টারের শর্তাবলী ও মুক্তি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা হবে, এবং ভবিষ্যতে অভিবাসন নীতি সংশোধনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা বাড়বে।



