19 C
Dhaka
Sunday, February 1, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিটাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে ব্যারেজ ও জুস কারখানা পরিকল্পনা, বিএনপি চেয়ারম্যানের ভোট আহ্বান

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে ব্যারেজ ও জুস কারখানা পরিকল্পনা, বিএনপি চেয়ারম্যানের ভোট আহ্বান

শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের চরজানা বাইপাসে অনুষ্ঠিত শেষ নির্বাচনী সমাবেশে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যমুনা নদীর ওপর ব্যারেজ নির্মাণ ও জুস প্রক্রিয়াকরণসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের পাট শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

প্রস্তাবিত ব্যারেজটি যমুনা নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে বলে তিনি বলেন, ফলে সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং কৃষকদের জন্য অতিরিক্ত জলের সুবিধা নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি, জুস কারখানা ও অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের স্থাপনা অঞ্চলটিকে শিল্পকেন্দ্রিক করে তুলবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে।

তারেক রহমান সমাবেশে জোর দিয়ে বলেন, সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা ও পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব। তিনি “দেশের মালিক” শব্দটি ব্যবহার করে ভোটারদের সমর্থন ও অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন, এবং বলছেন যে এই সমর্থন ছাড়া কোনো প্রকল্প সফল করা যাবে না।

সমাবেশে তিনি টাঙ্গাইলের আটটি আসনের জন্য বিএনপি প্রার্থীদের নাম উল্লেখ করেন এবং প্রত্যেকের ভোটের প্রয়োজনীয়তা জানিয়ে দেন। তালিকায় ফকির মাহবুব আনাম (টাঙ্গাইল‑১), আবদুস সালাম পিন্টু (টাঙ্গাইল‑২), এস এম ওবায়দুল হক (টাঙ্গাইল‑৩), লুৎফর রহমান (টাঙ্গাইল‑৪), সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (টাঙ্গাইল‑৫), রবিউল আওয়াল (টাঙ্গাইল‑৬), আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (টাঙ্গাইল‑৭) এবং আহমেদ আজম খান (টাঙ্গাইল‑৮) অন্তর্ভুক্ত।

তারেক রহমান একই সঙ্গে কিছু গোষ্ঠীকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, কিছু লোক ভোটারদের এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে, বিশেষ করে মহিলাদের লক্ষ্য করে। এই ধরনের অনৈতিক কাজের মাধ্যমে ভোটের স্বচ্ছতা নষ্ট করার চেষ্টাকে তিনি কঠোরভাবে নিন্দা করেন।

মহিলাদের ও তাদের পরিবারকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এমন প্রয়াস করে থাকে, তবে তা দ্রুত রিপোর্ট করা উচিত। এছাড়া, বয়স্কদেরও এই ধরনের কৌশল সম্পর্কে অবহিত করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রয়েছে।

সমাবেশের স্থানটি ঢাকা‑টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে ছিল, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটারদের বিশাল সমাবেশ দেখা গিয়েছিল। সমাবেশের সময় উপস্থিত মানুষদের মধ্যে উত্তেজনা ও প্রত্যাশা স্পষ্ট ছিল, বিশেষ করে নির্বাচনের নিকটবর্তী সময়ে এই ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশের গুরুত্ব বাড়িয়ে তুলেছে।

প্রধান্যপূর্ণ বিষয় হল, এই পরিকল্পনা ও ভোট আহ্বান দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন গতিবিধি তৈরি করতে পারে। যদি ব্যারেজ ও শিল্প প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, তবে টাঙ্গাইলের অর্থনৈতিক মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে, ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নজরদারি প্রয়োজন, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বৈধতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

আসন্ন নির্বাচনের আগে টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এই ধরনের সমাবেশ ও ঘোষণাগুলি প্রভাবশালী ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। ভোটারদের সচেতনতা ও সমর্থনই শেষ পর্যন্ত ফলাফল নির্ধারণ করবে, এবং স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নও রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments