19 C
Dhaka
Sunday, February 1, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত-এ-ইসলামি নেতা নিহত, আমির শফিকুর রহমানের নির্বাচনী সভা

শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত-এ-ইসলামি নেতা নিহত, আমির শফিকুর রহমানের নির্বাচনী সভা

শেরপুরে ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠে জামায়াত-এ-ইসলামি শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি রেজাউল করিমের গুলিবর্ষণে মৃত্যু ঘটে; এই ঘটনার পর দলীয় আমির শফিকুর রহমান রোববার সকালে শহীদ দারোগ আলী পার্কে জনসভা দিতে শেরপুরে পৌঁছাবেন।

ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে বিএনপি ও জামায়াত-এ-ইসলামি নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে গুলিবর্ষণ হয়। গুলির গুলিতে রেজাউল করিমের পাশাপাশি কয়েকজন কর্মী আহত হন, তবে রেজাউল করিমই প্রধান শিকারী হিসেবে তালিকাভুক্ত।

দলীয় নেতারা রেজাউল করিমের দেহান্ত্য পরবর্তী কর্মসূচি জানিয়ে দেন যে, তার কবর জিয়ারতের ব্যবস্থা করা হবে এবং পরিবারকে সহায়তা প্রদান করা হবে। শেরপুরের জামায়াত-এ-ইসলামি জেলা কমিটি এই দুঃখজনক ঘটনার পরেও নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

শফিকুর রহমানের শেরপুর সফর রোববার সকালেই শুরু হবে; তিনি শহীদ দারোগ আলী পার্কে নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়ে দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন এবং ভোটের আহ্বান জানাবেন। সভায় দলীয় প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

জনসভা স্থান প্রস্তুতিতে জেলা জামায়াত-এ-ইসলামি দল সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। স্টেজ, মঞ্চ, সাউন্ড সিস্টেম এবং ভোটের প্রতীকী দাঁড়িপাল্লা স্থাপন করা হচ্ছে; পাশাপাশি ভোটারদের আকৃষ্ট করতে পোস্টার ও প্যানেল বিতরণ করা হচ্ছে।

শেরপুর জেলা প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। স্থানীয় পুলিশ, রেঞ্জ অফিসার এবং বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয়ে গুলিবর্ষণের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর নজরদারি চালু করা হয়েছে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্কের চারপাশে প্রবেশদ্বার সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।

এই ঘটনা ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারাভিযানের মাঝখানে ঘটেছে; শেরপুরে জামায়াত-এ-ইসলামি দলের উপস্থিতি ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নির্বাচনী প্রভাব বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। শফিকুর রহমানের উপস্থিতি দলের সমর্থকদের মনোবল বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দলীয় নেতারা জনসভায় ভোটের প্রতীকী দাঁড়িপাল্লা তুলে ভোটারদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানাবেন এবং নির্বাচনী প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শেরপুরের ভোটারদের মধ্যে দলীয় নীতি ও পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।

বিএনপি পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে গুলিবর্ষণের দায়িত্ব নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছে; তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ও রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে ত্রুটি নির্দেশ করেছে। তবে উভয় দলই নির্বাচনী সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে।

শেরপুরে অনুষ্ঠিত এই জনসভা পরবর্তী দিনগুলোতে অন্যান্য নির্বাচনী ইভেন্টের সূচি নির্ধারণের ভিত্তি হবে। জামায়াত-এ-ইসলামি দল এই সভা সফল করার জন্য জেলাজুড়ে প্রচার চালিয়ে যাবে এবং নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব বিস্তার করার পরিকল্পনা করছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments