25 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাপায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণ শেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণ শেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

পটুয়াখালীর কলাপাড়া এলাকায় অবস্থিত পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণ শেষ করে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। পুনরায় চালু হওয়া ইউনিটটি গত শুক্রবার দুপুর দুইটায় ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতায় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। এই পদক্ষেপটি কেন্দ্রের সহকারী ব্যবস্থাপক (ইনভেস্টিগেশন) শাহ মনি জিকোর তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।

রক্ষণাবেক্ষণ কাজের সূচনা ১ জানুয়ারি থেকে ছিল এবং সেই সময়ে প্রথম ইউনিট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ছিল। এক মাসের বেশি সময়ের পর, পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়। পুনরায় চালু হওয়ার সময় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াটে স্থিত হয়, যা দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে অবদান রাখবে।

পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিট মিলিয়ে বর্তমানে মোট ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে এবং তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। দুই ইউনিটের সমন্বিত উৎপাদন ক্ষমতা দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি কমাতে সহায়তা করবে এবং বিদ্যুৎ বাজারে সরবরাহের স্থিতিশীলতা বাড়াবে।

এই পুনরায় চালু হওয়া প্রথম ইউনিটের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণে তাত্ক্ষণিক বৃদ্ধি দেখা যাবে, যা শিল্পখাত ও গৃহস্থালী ব্যবহারকারীদের জন্য সরবরাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিদ্যুৎ ঘাটতির ঝুঁকি হ্রাস পাবে এবং গ্রিডের লোড ব্যালান্সিং সহজ হবে।

বাজারের দৃষ্টিকোণ থেকে, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করা দেশের বিদ্যুৎ দামের স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সরবরাহের অতিরিক্ততা মূল্যস্ফীতি দমন করতে পারে এবং বিদ্যুৎ ক্রেতাদের জন্য খরচ কমাতে সহায়তা করবে।

শহর ও গ্রামীণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ধারাবাহিকতা বৃদ্ধি পাবে, ফলে উৎপাদনশীলতা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে শিল্প পার্ক ও বড় শিল্প ইউনিটগুলো অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থেকে উপকৃত হবে।

পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালনা সংস্থা এই রক্ষণাবেক্ষণকে সময়মতো সম্পন্ন করার মাধ্যমে ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত বন্ধের ঝুঁকি কমাতে সক্ষম হয়েছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা বিদ্যুৎ উৎপাদনের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের রিটার্ন নিশ্চিত করে।

উৎপাদন ক্ষমতা পূর্ণমাত্রায় চালু থাকলে কেন্দ্রের আর্থিক আয় বৃদ্ধি পাবে, যা কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে। বিদ্যুৎ বিক্রয় থেকে প্রাপ্ত আয় সরকারী রাজস্বে অবদান রাখবে এবং অবকাঠামো উন্নয়নে পুনঃবিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করবে।

ভবিষ্যতে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের সময়সূচি সুনির্দিষ্টভাবে পরিকল্পনা করা হলে উৎপাদন বন্ধের সময় কমে যাবে এবং গ্রিডের স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের সময়সূচি সঠিকভাবে মেনে না চললে উৎপাদন বন্ধের ঝুঁকি পুনরায় উত্থাপিত হতে পারে, তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত সাড়া দেওয়া জরুরি।

সারসংক্ষেপে, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পুনরায় চালু হওয়া দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহের নিরাপত্তা ও বাজারের স্থিতিশীলতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। রক্ষণাবেক্ষণ শেষে উৎপাদন শুরু হওয়ায় বিদ্যুৎ ঘাটতি কমবে, মূল্য স্থিতিশীল হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments