25 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাটাঙ্গাইলে শাহীন ইসলামিক স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

টাঙ্গাইলে শাহীন ইসলামিক স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

৩১ জানুয়ারি শনিবার টাঙ্গাইলের শাহীন ইসলামিক স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকগণ একত্রিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রাক্তন শিক্ষা উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু উপস্থিত ছিলেন।

আবদুস সালাম পিন্টু অনুষ্ঠানে স্বাগত জানিয়ে শিক্ষার গুরুত্ব ও ক্রীড়া কার্যক্রমের ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে খেলাধুলায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের দলীয় প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি মঞ্চে এসে মঞ্চ সাজিয়ে, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সূচনা ঘোষণা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের শুভকামনা জানিয়ে অনুষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন।

শাহীন ইসলামিক স্কুলের প্রিন্সিপাল মুফতি মাজহারুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে, শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক বিকাশে ক্রীড়ার ভূমিকা উল্লেখ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও ন্যায়পরায়ণতার মাধ্যমে সাফল্য অর্জনের কথা জোর দিয়ে বলেন।

শাহীন শিক্ষা পরিবারের সভাপতি মুহাম্মদ মাছুদুল আমীন শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের বক্তব্য শোনা যায়। তিনি উপস্থিত সকলকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, শিক্ষার সঙ্গে ক্রীড়ার সমন্বয়কে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল মডেল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি নুর মোহাম্মদ, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ডা. মো. কামরুজ্জামান এবং শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওমর আলী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের মতামত ও শুভেচ্ছা প্রকাশ করেন। প্রত্যেকেই শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া দক্ষতা উন্নয়নে সমর্থন জানান।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দৌড়, লম্বা লাফ, শটল, ফুটবল ও হ্যান্ডবলের মতো বিভিন্ন শাখা অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিটি শাখায় শীর্ষস্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদেরকে সোনার, রৌপ্যের ও ব্রোঞ্জের পদক প্রদান করা হয়। বিজয়ী শিক্ষার্থীরা তাদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সহপাঠীদের জন্য উদাহরণ স্থাপন করে।

পুরস্কার বিতরণীর পাশাপাশি উপস্থিত অভিভাবকদের জন্য র‌্যাফেল ড্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত উপহার প্রদান করা হয়। ড্রয়ের ফলাফল জানিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আনন্দের স্রোত বইয়ে যায় এবং অভিভাবকদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পায়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সকলের সমন্বিত অংশগ্রহণই এই ইভেন্টকে সফল করে তুলেছে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করেছে।

এ ধরনের ক্রীড়া ইভেন্ট শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দলগত কাজের মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিদ্যালয়ের পরিবেশে স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।

উদাহরণস্বরূপ, দশম শ্রেণির রাহিম উদ্দিন ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম স্থান অর্জন করে তার সহপাঠীদের মধ্যে অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তুলেছেন। তার প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও নিয়মিত অনুশীলনকে প্রশংসা করা হয়, যা অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য মডেল হিসেবে কাজ করে।

পাঠকদের জন্য ব্যবহারিক টিপস: বাড়িতে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও স্ট্রেচিংকে দৈনন্দিন রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করলে ক্রীড়া ইভেন্টে পারফরম্যান্স উন্নত হয়। আপনার সন্তানকে স্কুলের ক্রীড়া কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে উৎসাহিত করুন এবং তাদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments