ধর্ম প্রোডাকশন্সের নতুন রোমান্টিক ড্রামা ‘চাঁদ মেরা দিল’ ৮ মে ২০২৬-এ সিলভার স্ক্রিনে আসবে। ছবিতে অ্যানান্যা প্যান্ডে এবং লক্ষ্যের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি গঠিত হবে। পরিচালক বিবেক সোনি, যিনি ‘মিনাক্ষী সুন্দরেশ্বর’ দিয়ে পরিচিত, এই প্রকল্পের দায়িত্বে আছেন।
প্রকল্পটি প্রথমবারের মতো নভেম্বর ২০২৪-এ প্রকাশিত হয়, যখন প্রযোজক করণ জোহর প্রথম লুক পোস্টার প্রকাশ করেন। পোস্টারে ‘প্যারে মেইন থোডা পাগল হোনা হি পডতা হ্যাই’ (একটু পাগল হতে হয় প্রেমে) স্লোগানটি দেখা যায়, যা দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছে।
অ্যানান্যা প্যান্ডে এবং লক্ষ্যের এই নতুন জুটি ভক্তদের মধ্যে বড় প্রত্যাশা তৈরি করেছে। দুজনের প্রথম যৌথ উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে।
বিবেক সোনি, যিনি ‘মিনাক্ষী সুন্দরেশ্বর’ দিয়ে সঙ্গীতময় প্রেমের গল্পে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনেছেন, এবার ‘চাঁদ মেরা দিল’কে ‘ইনটেন্স মিউজিক্যাল লাভ স্টোরি’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। তার পূর্বের কাজের সাফল্যকে ভিত্তি করে এই প্রকল্পে সঙ্গীত ও আবেগের সমন্বয় প্রত্যাশিত।
প্রাথমিকভাবে ১০ এপ্রিল ২০২৬-এ মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তবে নির্মাতারা গ্রীষ্মের ছুটির সময়কে কাজে লাগাতে তারিখ পরিবর্তন করে ৮ মে নির্ধারণ করেছেন। গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলচ্চিত্রের বক্স অফিস সম্ভাবনা বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রযোজনা দলটিতে করণ জোহর, আপূর্ব মেহতা এবং আদার পুণওয়ালা অন্তর্ভুক্ত। এই তিনজনের সমন্বয়ে ধর্ম প্রোডাকশন্স ও পুণওয়ালার নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে উঠেছে, যা এই চলচ্চিত্রকে তাদের যৌথ উদ্যোগের অন্যতম বড় থিয়েটার রিলিজ করে তুলবে।
‘চাঁদ মেরা দিল’কে একটি তীব্র সঙ্গীতময় প্রেমের গল্প হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেখানে সুর, নৃত্য এবং রোমান্সের মিশ্রণ থাকবে। চলচ্চিত্রের গল্পের মূল থিমটি প্রেমের উন্মাদনা এবং তার সঙ্গে যুক্ত আবেগের জটিলতা।
ফ্যানদের মধ্যে ইতিমধ্যে পোস্টার ও ট্যাগলাইন নিয়ে আলোচনা চলছে, এবং সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছবির প্রতি উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। এই উত্তেজনা চলচ্চিত্রের প্রি-রিলিজ মার্কেটিংকে আরও শক্তিশালী করেছে।
প্রচারমূলক সামগ্রীতে ব্যবহৃত ট্যাগলাইনটি প্রেমের অস্বাভাবিক দিককে তুলে ধরেছে, যা দর্শকদেরকে গল্পের গভীরে টেনে নিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পোস্টারগুলোতে অ্যানান্যা ও লক্ষ্যের রোমান্টিক ভঙ্গি এবং রঙিন পটভূমি দেখা যায়, যা ছবির সঙ্গীতময় স্বরকে প্রতিফলিত করে।
বিস্তৃত থিয়েটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের সব বড় শহরে ছবির প্রদর্শন নিশ্চিত করা হয়েছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে, যাতে গ্রীষ্মের ছুটির সময় দর্শকসীমা সর্বোচ্চ করা যায়।
ধর্ম প্রোডাকশন্সের সাম্প্রতিক কাজগুলোতে উচ্চমানের প্রোডাকশন ও সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি দেখা যায়, এবং পুণওয়ালার সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ করবে। ‘চাঁদ মেরা দিল’ তাদের যৌথ প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
মুক্তির তারিখ ৮ মে ২০২৬-এ নির্ধারিত হওয়ায় দর্শকরা গ্রীষ্মের ছুটিতে এই সঙ্গীতময় রোমান্স উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। চলচ্চিত্রটি সকল বয়সের দর্শকের জন্য উপযুক্ত এবং প্রেমের উন্মাদনা অনুভব করতে ইচ্ছুক যে কারো জন্য একটি আকর্ষণীয় বিকল্প হবে।



