শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বৃষ্টির কারণে বহুবার খেলা থেমে যাওয়ার পর ডিএলএস পদ্ধতি প্রয়োগ করে ইংল্যান্ড ১২৫ রান দিয়ে শ্রীলঙ্কার ১৩৩ রানের লক্ষ্য অতিক্রম করে জয়লাভ করে।
ম্যাচটি প্রথমে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ে শুরু হয়, যেখানে তারা প্রথম আট ওভারে ৭৯ রান সংগ্রহ করে দ্রুত গতি দেখায়। তবে পরবর্তী ওভারে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারিয়ে দলটি থেমে যায় এবং শেষ পর্যন্ত ১৩৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। সর্বোচ্চ স্কোর করেন কুশাল মেন্ডিস, যিনি ২০ ball-এ ৩৭ রান তৈরি করেন, যার মধ্যে চারটি চার এবং দুইটি ছক্কা রয়েছে। পাথুম নিসাঙ্কা ২৩ রান যোগ করেন।
ইংল্যান্ডের ব্যাটিং শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক রীতি গ্রহণ করে, ফলে বৃষ্টির পরেও ডিএলএসে বড় ব্যবধান বজায় থাকে। ফিল সল্টের ৪৬ রান ম্যাচের সেরা স্কোর হিসেবে উঠে আসে, আর টম ব্যান্টন ২৯ ball-এ ১৫ রান যোগ করেন। ইংল্যান্ড ১৫ ওভারে ১২৫ রান করে চার উইকেট হারায় এবং শ্রীলঙ্কার লক্ষ্য অতিক্রম করে।
বোলিং দিক থেকে আদিল রশিদ ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন, যা ইংল্যান্ডের জয়ের মূল চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে। শেষ ওভারে সাম কারান ত্রিকোণীয় গতি দেখিয়ে শ্রীলঙ্কার শেষ তিন ব্যাটসম্যানকে একের পর এক আউট করেন। দাসুন শানাকা, মাহিশ থিকশানা এবং মাথিশা পাথিরানা প্রত্যেকেই এক ball-এ আউট হয়ে দলকে বড় ধাক্কা দেন।
সাম কারানের এই হ্যাটট্রিক তাকে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিককারী করে তুলেছে; পূর্বে ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ক্রিস জর্ডান এই কীর্তি অর্জন করেছিলেন।
ডিএলএসের হিসাব অনুযায়ী ইংল্যান্ডের স্কোর বেশি হওয়ায় দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। উভয় দলের খেলোয়াড়রা বৃষ্টির কারণে থেমে থাকা মুহূর্তেও মনোযোগ বজায় রেখেছেন, যা ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।
পরবর্তী ম্যাচটি একই মাঠে রবিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল আবার মুখোমুখি হবে এবং সিরিজের ফলাফল নির্ধারণের সুযোগ পাবে।
এই জয় ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সিরিজের শুরুর দিকে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় এবং শ্রীলঙ্কার জন্যও শিখনীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।



