24 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিঢাকা-৯-এ ফেব্রুয়ারি ১২ নির্বাচনের আগে তাসনিম জারা, হাবিবুর রশিদ ও জাভেদ রাসিনের...

ঢাকা-৯-এ ফেব্রুয়ারি ১২ নির্বাচনের আগে তাসনিম জারা, হাবিবুর রশিদ ও জাভেদ রাসিনের প্রচারণা তীব্র

দ্বিতীয় ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের আগে ঢাকা-৯ নির্বাচনী এলাকা তীব্র রাজনৈতিক গতি পেয়েছে। খিলগাঁও, সবুজবাগ এবং মুগদা থানা অন্তর্ভুক্ত এই আসনকে তিনজন প্রধান প্রার্থীর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলছে।

খিলগাঁওয়ের এক প্রান্তে দশক ধরে রাস্তার পাশে ছোট দোকান চালিয়ে আসা আবুল হোসেনের গল্প এই গতি প্রকাশের সূচনা করে। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে এই এলাকাকে আধা-গ্রামীণ থেকে ঘনবসতিপূর্ণ নগর কেন্দ্রে রূপান্তরিত হতে দেখেছেন। তার দোকান থেকে তিনি জমি দখল, অবৈধ টেন্ডার সংস্থা ইত্যাদি সমস্যার সাক্ষী ছিলেন।

“Over the last few decades, many here have changed their fortunes using political muscle. But for ordinary people like us, life has only become harder,” আবুল, যিনি ঢাকা-৯ নির্বাচনী এলাকার ভোটার, এভাবে মন্তব্য করেছেন।

আবুলের মতে, আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররা পুরনো ও পচা রাজনীতির বদলে নতুন পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছেন। তিনি আশাবাদী যে ভোটারদের পছন্দের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবেশে স্বচ্ছতা আসবে।

ফেব্রুয়ারি ১২ তারিখের কাছাকাছি আসার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা-৯-এ প্রচারণা কার্যক্রম তীব্রতর হয়েছে। এই আসনটি খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা থানার অধীনে ঢাকা সাউথ সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ৭ এবং ৭১ থেকে ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে।

প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ডা. তাসনিম জারা উল্লেখযোগ্য। তিনি সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক দল থেকে পদত্যাগ করে স্বাধীন প্রার্থী হিসেবে ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এবং তরুণ ও নারী ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন অর্জন করেছেন।

বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবও এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তিনি দলীয় সংগঠনগত শক্তি এবং ‘ধানের গাঁথা’ প্রতীককে ব্যবহার করে প্রচার চালাচ্ছেন। জনসভা ও রোড র্যালির মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো—যেমন জলাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা—সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

অন্যদিকে, জাভেদ রাসিন জামাত-নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের সমর্থন পেয়ে ‘জুলাই বিদ্রোহের আত্মা’ এবং ‘র্যাডিক্যাল রাজনৈতিক সংস্কার’ের দাবি তুলে ধরছেন। তিনি ঘুষ, দুর্নীতি এবং ‘গডফাদার সংস্কৃতি’ বিরোধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের কথা জানিয়েছেন।

এই তিন প্রার্থীর মধ্যে ভোটারদের পছন্দ নির্ধারণের জন্য প্রতিটি দল তাদের নিজস্ব প্রতীক ও নীতি ব্যবহার করে প্রচার চালাচ্ছে। তাসনিমের ডিজিটাল উপস্থিতি, হাবিবুর ঐতিহ্যবাহী সংগঠন এবং জাভেদের র্যাডিক্যাল রেটোরিকের মধ্যে ভোটাররা কোন দিককে বেশি গুরুত্ব দেবে তা নির্বাচনের ফলাফলে স্পষ্ট হবে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতার তীব্রতা এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর অংশগ্রহণের ফলে ঢাকা-৯ নির্বাচনের ফলাফল দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক দিকনির্দেশে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তরুণ ও নারী ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে পারে।

ঢাকা-৯-এ চলমান এই রাজনৈতিক লড়াই দেশের বৃহত্তর পরিবর্তনের সূচক হতে পারে, যেখানে পুরনো ক্ষমতার কাঠামো ভেঙে নতুন নেতৃত্বের উত্থান প্রত্যাশিত। ভোটারদের সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে যে ‘পুরনো পচা রাজনীতি’ থেকে সত্যিকারের পরিবর্তন সম্ভব হবে কি না।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments