গৃহস্থালি উদ্যোগে নির্মিত প্রথম সাবমেরিনের ট্রায়াল তাইওয়ান নৌবাহিনী বৃহস্পতিবার সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। নারওয়াল নামের এই নৌযান দক্ষিণের কাউসিউং সমুদ্রবন্দরের নিকটবর্তী জলের মধ্যে কয়েক ঘণ্টা চলমান পরীক্ষার পর নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ট্রায়ালটি প্রায় এক ঘণ্টা সময় ধরে চালু রাখা হয়, যার মধ্যে ডুব, গতি, সাউন্ড নেভিগেশন এবং সিস্টেমের স্থায়িত্ব পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার সময় কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি রিপোর্ট করা হয়নি, ফলে প্রকল্পের সময়সূচি অনুযায়ী অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।
নারওয়াল সম্পূর্ণভাবে তাইওয়ানের নিজস্ব তহবিল ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্মিত, তবে এর মূল নকশা ও কিছু উপাদান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ কয়েকটি দেশের প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক সীমাবদ্ধতা এবং কূটনৈতিক চাপে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকা তাইওয়ানের জন্য এই অর্জন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
এই নৌযান তাইওয়ানের নৌবাহিনীর তৃতীয় সাবমেরিন হিসেবে যুক্ত হয়েছে। পূর্বে ১৯৯০-এর দশকে নেদারল্যান্ড থেকে ক্রয় করা দুটি সাবমেরিন এখনও সক্রিয়ভাবে সেবা দিচ্ছে, যা দেশের সমুদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
২০২২ সালে তাইওয়ান সরকার স্বদেশে সাবমেরিন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়, যা দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে স্বনির্ভর করার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ। এই উদ্যোগের জন্য প্রকল্পের বাস্তবায়ন দায়িত্ব সিএসবিসি কর্পোরেশনকে অর্পণ করা হয়, যা জাহাজ নির্মাণে দেশের প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।
সিএসবিসি কর্পোরেশন এবং সরকার মোট আটটি সাবমেরিনের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মধ্যে নারওয়াল প্রথম মডেল হিসেবে কাজ করবে। চুক্তিতে উল্লেখিত সময়সীমা অনুযায়ী পরবর্তী সাতটি নৌযান ধীরে ধীরে উৎপাদন ও পরীক্ষা পর্যায়ে অগ্রসর হবে।
প্রকল্পের প্রযুক্তিগত ভিত্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উন্নত নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সাউন্ড নেভিগেশন এবং স্টেলথ সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল। এই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা তাইওয়ানের জন্য আধুনিক নৌবাহিনীর গঠনকে ত্বরান্বিত করেছে, যদিও কূটনৈতিক সীমাবদ্ধতা সরবরাহ শৃঙ্খলে প্রভাব ফেলতে পারে।
একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জটিলতা এবং চীনের চাপের ফলে নারওয়াল



