রাজনৈতিক কর্মী মুত্তাকিনের বাবা, যিনি ভ্যান চালক হিসেবে কাজ করেন, তার হৃদয়ে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে জরুরি শল্যচিকিৎসা প্রয়োজন হয়। পরিবার অর্থনৈতিকভাবে অক্ষম হওয়ায় যুক্তরাজ্যের জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়ে শল্যচিকিৎসা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়।
জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থানের সময় রায়েরবাগ ওভাব্রিজের ওপর খালি গায়ে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে ভাইরাল হওয়া ছাত্রদল কর্মী মুত্তাকিনের নাম মিডিয়াতে উঠে আসে। এই ঘটনার পর তার পরিবারের আর্থিক চাপে বাড়তি দৃষ্টিপাত হয়।
মুত্তাকিনের বাবা, যিনি দীর্ঘদিনের ভ্যান চালক, সম্প্রতি হৃদয়ের তিনটি রক্তনালিতে বাধা ধরা পড়ে। চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হয়ে তিনটি রিং স্থাপন করা হয়। শল্যচিকিৎসার মোট খরচ পরিবার বহন করতে পারছিল না।
পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক কামালউদ্দীন ফাউন্ডেশনের তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ সরবরাহ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রতিষ্ঠার প্রথম দিন থেকে ফাউন্ডেশন নীরবে এবং নিঃস্বার্থভাবে অসংখ্য মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এসেছে।
ফাউন্ডেশনের সহায়তা মূলত মুত্তাকিনের বাবার শল্যচিকিৎসার ব্যয় বহন করার দিকে কেন্দ্রীভূত ছিল। ফাউন্ডেশন কর্তৃক সরবরাহিত তহবিলের বেশিরভাগই রিং স্থাপন এবং পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার খরচে ব্যবহার করা হয়েছে, ফলে পরিবার আর্থিক দিক থেকে তীব্র চাপ থেকে মুক্তি পায়।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানও, এই সহায়তা প্রকল্পে সরাসরি জড়িত ছিলেন। তিনি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মুত্তাকিনের বাবার চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করেছেন বলে জানানো হয়েছে। এই সমন্বয় ফাউন্ডেশন ও বিএনপির সংযোগকে স্পষ্ট করে।
করোনা মহামারী এবং দেশের বিভিন্ন সংকটের সময় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মানুষের কল্যাণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। ফাউন্ডেশন পূর্বে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দুর্যোগ ত্রাণের ক্ষেত্রে তহবিল সরবরাহ করে বহু পরিবারকে সহায়তা করেছে। এই ধারাবাহিকতা এখনো বজায় রয়েছে।
মুত্তাকিনের পরিবার এখন শল্যচিকিৎসার পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে রয়েছে এবং ফাউন্ডেশন থেকে প্রাপ্ত সহায়তা তাদের আর্থিক দিক থেকে স্থিতিশীলতা প্রদান করেছে। ভবিষ্যতে ফাউন্ডেশন প্রয়োজনীয় হলে অতিরিক্ত চিকিৎসা সেবা ও মনিটরিং চালিয়ে যাবে, যা রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে ফাউন্ডেশনের মানবিক দায়িত্বের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।



