21 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধতাজিকিস্তানের খাতলন অঞ্চলে মাদক পাচারকারীদের গুলিবর্ষণে তিনজন নিহত

তাজিকিস্তানের খাতলন অঞ্চলে মাদক পাচারকারীদের গুলিবর্ষণে তিনজন নিহত

তাজিকিস্তানের দক্ষিণের খাতলন অঞ্চলে সশস্ত্র প্রতিরোধের সময় পাঁচজন মাদক পাচারকারীকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ হয়। গুলিবর্ষণের ফলে তিনজন সরাসরি নিহত হয়, আর বাকি দুইজন আফগানিস্তানের দিকে পলায়ন করতে সক্ষম হয়। ঘটনাটি তাজিকিস্তানের সরকারি তথ্য সংস্থার মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

তাজিকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত প্রায় এক হাজার তিনশ পঞ্চাশ কিলোমিটার দীর্ঘ, যা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অবৈধ কার্যকলাপের প্রধান পথ হিসেবে পরিচিত। এই দীর্ঘ সীমান্তে নিয়মিত গোপন পথে মাদক পাচার ও অন্যান্য অবৈধ লেনদেনের খবর পাওয়া যায়।

খাতলন অঞ্চলে গুলিবর্ষণের সময় পাঁচজন সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারীকে লক্ষ্য করা হয়। গুলিবর্ষণে তিনজনের প্রাণহানি নিশ্চিত হয়েছে, আর দুইজন শত্রু অঞ্চলে পলায়ন করে আফগানিস্তানের দিকে অগ্রসর হয়েছে। গুলিবর্ষণের সুনির্দিষ্ট সময় ও স্থান সরকারি সূত্রে প্রকাশ করা হয়নি, তবে ঘটনাটি সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেছে।

তাজিকিস্তান সরকার জানিয়েছে যে, নভেম্বর মাসের পর থেকে সীমান্তে এ ধরনের প্রাণঘাতী ঘটনার সংখ্যা ছয়বারে পৌঁছেছে। এই সংখ্যা পূর্বে রিপোর্ট করা অন্যান্য গুলিবর্ষণ ও সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত, যা সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সীমান্তে মোট উনিশজনের মৃত্যু ঘটেছে। যদিও মোট মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে, তবে প্রতিটি ঘটনার বিশদ বিবরণ বা শিকারদের পরিচয় সম্পর্কে কোনো অতিরিক্ত তথ্য সরবরাহ করা হয়নি।

তাজিকিস্তান কর্তৃপক্ষ সীমান্তের অস্থিতিশীলতা রোধে তৎপরতা প্রকাশ করে, এবং তালেবান কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানায়। তালেবানকে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এবং অবৈধ মাদক পাচার বন্ধ করতে সহায়তা করতে বলা হয়েছে।

ঘটনার পর, তাজিকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর তদন্ত দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রমাণ সংগ্রহ ও শিকারের পরিচয় নিশ্চিত করার কাজ শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট মামলায় আইনগত প্রক্রিয়া চালু হবে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সরকার জানিয়েছে।

সীমান্তে অবৈধ মাদক পাচার ও সশস্ত্র সংঘর্ষের ধারাবাহিকতা তাজিকিস্তান ও আফগানিস্তানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। উভয় দেশের কর্তৃপক্ষ এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা জোর দিয়ে বলছে, যাতে সীমান্ত অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments