26 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিধর্ম উপদেষ্টা খালিদ হোসেন: নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ হোসেন: নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত

ধর্ম উপদেষ্টা ড. এ.এফ.এম. খালিদ হোসেন বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বাসাবোতে ধর্মরাজিকা বৌদ্ধ মহাবিহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় জানিয়েছেন, নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে বিদায়ের পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে এবং একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই এই প্রক্রিয়ার ভিত্তি হবে।

বৈধ ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরতে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এবং খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট যৌথভাবে এই সভা আয়োজন করেছে। উভয় সংস্থা ভোটারদের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা বাড়াতে একত্রে কাজ করছে এবং এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভোটের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হয়েছে।

খালিদ হোসেন উল্লেখ করেন, একবার ক্ষমতায় বসে গেলে বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে তা ধরে রাখার প্রবণতা দেখা যায়, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কারের পথে বাধা সৃষ্টি করে। তাই তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্ত থেকে বিদায়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং সরকারের কিছু উপদেষ্টা ইতিমধ্যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে বিদেশে কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত ভোটকে দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা উচিত। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি রোধ হবে এবং ক্ষমতার ভারসাম্য পুনঃস্থাপিত হবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন। এই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি সকল নাগরিককে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সমর্থন গড়ে তুলতে আহ্বান জানান।

সমালোচকরা উল্লেখ করেছেন, ধর্মীয় উপদেষ্টাদের রাজনৈতিক মন্তব্যের সীমা অতিক্রমের সম্ভাবনা রয়েছে এবং এমন প্রকাশনা ভোটের স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতাকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে ধর্মীয় উপদেষ্টা দলটি জোর দিয়ে বলেছে, তাদের বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে ভোটের নিরাপত্তা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নয়।

বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দিচ্ছেন, যদি ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন হয়, তবে দেশের শাসন কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। বিশেষত, ধর্মীয় সংস্থাগুলোর ভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে বহুমুখী করে তুলবে এবং ভবিষ্যতে ধর্ম-রাজনীতির সমন্বয়কে আরও স্বচ্ছ করে তুলতে পারে।

এদিকে, সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। পূর্বে ঘোষিত বডিক্যাম ক্রয় ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এই নির্বাচনে দ্রুত কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছে, যা ভোটারদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

সারসংক্ষেপে, ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেনের বক্তব্য ভোটের গুরুত্ব ও স্বচ্ছতা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। ভোটের ফলাফল কীভাবে দেশের ভবিষ্যৎ গঠন করবে, তা এখনো নির্ধারিত হবে, তবে সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments