ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় কর সংস্কার টাস্কফোর্স গিফট ও উত্তরাধিকারিক সম্পদে ১ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান জায়দি সাতার, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সভাপতি, এই সুপারিশের পেছনের মূল কারণ ব্যাখ্যা করেন। প্রস্তাবটি দেশের কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। বর্তমানে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১০ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কম।
প্রস্তাবিত করটি নগদ, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করবে, যার মধ্যে মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারও রয়েছে। গিফট ও বীসথের সম্পদকে হস্তান্তরের সময়ের ন্যায্য বাজারমূল্যে মূল্যায়ন করা হবে। এই মূল্যায়নের ভিত্তিতে কর নির্ধারণের মাধ্যমে করভিত্তি বিস্তৃত হবে বলে টাস্কফোর্সের ধারণা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে শেয়ার, বন্ড এবং অন্যান্য আর্থিক যন্ত্রও অন্তর্ভুক্ত হবে।
বর্তমানে পারিবারিক স্তরে—পিতামাতা, সঙ্গী, সন্তান ও ভাইবোনের মধ্যে—সম্পদ হস্তান্তরে কর আরোপ থেকে অব্যাহতি রয়েছে। টাস্কফোর্স এই অব্যাহতি বজায় রেখে নির্দিষ্ট সীমার বাইরে গিফট ও উত্তরাধিকারিক স্থানান্তরে কর আরোপের প্রস্তাব দেয়। ফলে উচ্চমূল্যের সম্পদ হস্তান্তরে কর সংগ্রহের সম্ভাবনা বাড়বে। টাস্কফোর্স প্রস্তাব করে যে নির্দিষ্ট সীমার নিচে গিফটের ক্ষেত্রে করমুক্তি বজায় থাকবে।
সম্পদের ন্যায্য বাজারমূল্য নির্ধারণের জন্য সরকারী রেকর্ডে সম্পত্তি হস্তান্তরের সময় মিউটেশন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।



