28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাবিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা‑করাচি সরাসরি ফ্লাইট ১৪ বছর পর চালু

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা‑করাচি সরাসরি ফ্লাইট ১৪ বছর পর চালু

ঢাকা‑করাচি রুটে ১৪ বছর পর প্রথমবারের মতো সরাসরি ফ্লাইট আজ চালু হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই নতুন সেবা ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শুরু হয়েছে এবং দু’শহরের মধ্যে সরাসরি সংযোগ পুনরুদ্ধার করেছে।

এই রুটটি শেষবার ২০১২ সালে বন্ধ হওয়ার পর থেকে কোনো বাণিজ্যিক বিমান সেবা না থাকায় দু’দেশের ব্যবসায়িক ও পর্যটন সংযোগ সীমিত ছিল। নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং পর্যাপ্ত চাহিদা না থাকায় রুটটি স্থগিত করা হয়েছিল। এখন উভয় দেশের বাণিজ্যিক ও মানবিক চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পুনরায় চালু করা হয়েছে।

সরাসরি সংযোগের ফলে ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের সময়সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। পূর্বে ঢাকা থেকে করাচি যাওয়ার জন্য তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ট্রান্সফার করতে হতো, যা অতিরিক্ত খরচ ও সময় বাড়াতো। এখন একক ফ্লাইটে দু’শহরের মধ্যে যাত্রা সম্ভব হওয়ায় কোম্পানিগুলো লজিস্টিক পরিকল্পনা সহজ করতে পারবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য এই রুটটি নতুন আয় উৎস হিসেবে কাজ করবে। সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় যাত্রী সংখ্যা ও কার্গো ভলিউম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা এয়ারলাইন্সের মোট আয় বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি, এই সেবা দেশের এয়ারলাইন শিল্পে প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে অন্যান্য ক্যারিয়ারকে নতুন রুট পরিকল্পনা করতে উৎসাহিত করবে।

বাণিজ্যিক কার্গো পরিবহনেও ইতিবাচক প্রভাব প্রত্যাশিত। দু’দেশের মধ্যে রপ্তানি-আমদানি পণ্যের দ্রুত সরবরাহের জন্য এয়ার কার্গো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে তাজা পণ্য, ফার্মাসিউটিক্যাল এবং উচ্চমূল্যের ইলেকট্রনিক্সের জন্য সময়মত ডেলিভারি নিশ্চিত হবে।

দুই দেশের মধ্যে পর্যটন শিল্পও এই সংযোগের মাধ্যমে লাভবান হবে। পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যটন গন্তব্যে বাংলাদেশি পর্যটকদের আগমন বাড়বে, একই সঙ্গে করাচি থেকে বাংলাদেশে ভ্রমণকারী ব্যবসায়িক ও ধর্মীয় পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এই প্রবাহ স্থানীয় হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও সেবা খাতের আয় বাড়াবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই রুটে সপ্তাহে একবারের ফ্লাইট চালু করা হবে, তবে যাত্রীর চাহিদা অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। উভয় দেশের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয় ও স্লট বরাদ্দের সুবিধা এই সেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে।

তবে রুটটি চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু ঝুঁকি উপেক্ষা করা যায় না। রাজনৈতিক উত্তেজনা, ভিসা নীতি পরিবর্তন এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে যাত্রী প্রবাহে অস্থায়ী হ্রাস ঘটতে পারে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা এবং জ্বালানি মূল্যের ওঠাপড়া আয় ও খরচের ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে।

সারসংক্ষেপে, ঢাকা‑করাচি সরাসরি ফ্লাইটের পুনরায় চালু হওয়া উভয় দেশের বাণিজ্যিক ও পর্যটন সংযোগকে শক্তিশালী করবে এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আয় ভিত্তি বিস্তৃত করবে। ভবিষ্যতে রুটের ফ্রিকোয়েন্সি বাড়িয়ে অতিরিক্ত বাজার শেয়ার দখল করা সম্ভব, তবে তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত চাহিদা পর্যবেক্ষণ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

৭৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বাংলানিউজ২৪
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments