23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমিনেসোটা আইসিই অফিসারদের ‘অ্যাগিটেটর’ সঙ্গে যোগাযোগ না করার নতুন নির্দেশনা

মিনেসোটা আইসিই অফিসারদের ‘অ্যাগিটেটর’ সঙ্গে যোগাযোগ না করার নতুন নির্দেশনা

মিনেসোটা রাজ্যের আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) অফিসারদের বুধবার একটি অভ্যন্তরীণ নির্দেশে ‘অ্যাগিটেটর’দের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ বা সংলাপ না করার আদেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে প্রণীত এবং রয়টার্সের বিশ্লেষণে প্রকাশিত হয়। নির্দেশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, অফিসাররা কেবল অপরাধমূলক অভিযোগ বা দোষী সাব্যস্ত অভিবাসীদেরই লক্ষ্য করবেন, যা পূর্বের বিস্তৃত অভিযান থেকে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

নতুন নির্দেশিকায় উল্লেখ আছে যে, ‘অ্যাগিটেটর’দের সঙ্গে কথা বলা বা কোনোভাবে যুক্ত হওয়া পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত করতে পারে, তাই তা এড়িয়ে চলা উচিত। অফিসারদের কাজ শুধুমাত্র জনসাধারণকে আদেশ জানানো পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে, এবং অন্য কোনো ধরনের সংলাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নীতি অনুসরণে অফিসারদেরকে মেগাফোন সরবরাহ করা হবে, যাতে তারা গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ স্পষ্টভাবে জানাতে পারে।

ডিএইচএস, যা আইসিই-কে তত্ত্বাবধান করে, এই নির্দেশের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। নির্দেশের প্রকাশের পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প মিনেসোটা ও সেন্ট পল শহরে সম্প্রতি দুইজন মার্কিন নাগরিকের মৃত্যু ঘটার পর পরিস্থিতি ‘ডি-ইস্কেলেট’ করার কথা উল্লেখ করেন। উক্ত দুজনের মৃত্যুতে ফেডারেল অভিবাসন অফিসারদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে, তবে ভিডিও প্রমাণের মাধ্যমে মৃতদেহকে আক্রমণকারী হিসেবে চিত্রিত করার দাবি খণ্ডিত হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দ্রুতই টম হোমানকে মিনেসোটা অপারেশন তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব প্রদান করে, যা ‘টার্গেটেড’ পদ্ধতিতে রূপান্তরের সংকেত দেয়। হোমানকে নতুন কৌশল বাস্তবায়নের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে, যাতে কেবল অপরাধমূলক রেকর্ডযুক্ত অভিবাসীদেরই লক্ষ্য করা হয়। একই সময়ে, পূর্বে লস এঞ্জেলেস, শিকাগোসহ অন্যান্য শহরে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা গ্যাস্ট্রি বোভিনোকে পদচ্যুতি দেওয়া হয় এবং তিনি শীঘ্রই অবসর নেবেন।

নতুন নির্দেশিকায় মেগাফোন ব্যবহার এবং গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপের শব্দগত ব্যাখ্যা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, তবে কোন পরিস্থিতিতে আদেশ না মানলে কী করা হবে বা কোন ধরনের আচরণকে ‘অ্যাগিটেটর’ হিসেবে গণ্য করা হবে তা স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে অফিসারদের জন্য বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কিছু অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

এই পরিবর্তনটি মিনেসোটা ও যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য শহরে অভিবাসন নীতি নিয়ে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পূর্বে ব্যাপক অভিযানকে কেন্দ্র করে আইনি চ্যালেঞ্জ ও জনসাধারণের প্রতিবাদ দেখা গিয়েছিল; এখন লক্ষ্যভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণের মাধ্যমে প্রশাসন আইনগত বাধা কমিয়ে নীতি চালু করার আশা করছে। তবে ‘অ্যাগিটেটর’ সংজ্ঞা ও আদেশের কার্যকারিতা সম্পর্কে স্পষ্টতা না থাকায় ভবিষ্যতে পুনরায় সমালোচনা ও আইনি প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে।

অভ্যন্তরীণ নির্দেশের ভিত্তিতে আইসিই অফিসারদের কাজের পদ্ধতি পরিবর্তন হলে, মিনেসোটা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অভিবাসন সংক্রান্ত কার্যক্রমের তীব্রতা হ্রাস পেতে পারে। একই সঙ্গে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ডি-ইস্কেলেশন’ নীতির বাস্তবায়ন কীভাবে ফলপ্রসূ হবে তা পর্যবেক্ষণ করা হবে, বিশেষত যখন দুইজন নাগরিকের মৃত্যু এবং ভিডিও প্রমাণের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত স্বরূপ প্রকাশ পেয়েছে।

অবশেষে, নতুন নির্দেশিকায় উল্লেখিত ‘টার্গেটেড’ গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং মেগাফোনের ব্যবহার আইসিই-কে জনসাধারণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের নতুন মডেল গড়ে তুলতে পারে। তবে নির্দেশের অস্পষ্ট দিকগুলো—যেমন ‘অ্যাগিটেটর’ চিহ্নিত করার মানদণ্ড ও আদেশ অমান্য হলে পদক্ষেপ—আইসিই কর্মীদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে এবং ভবিষ্যতে নীতি সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা বাড়াবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments