মিনিয়াপোলিসে ৩৭ বছর বয়সী তীব্র যত্ন নার্স অ্যালেক্স প্রেট্তির গুলিবর্ষণের পর যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস ও বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) এর দুই এজেন্টকে প্রশাসনিক ছুটিতে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি শনিবার ঘটেছে এবং তৎপরতা সৃষ্টিকারী প্রতিবাদ ও জাতীয় স্তরে তীব্র প্রতিক্রিয়া উত্থাপন করেছে। দুই পার্টির আইনপ্রণেতা ডিএইচএস সেক্রেটারির পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন।
ডিএইচএসের কংগ্রেসে প্রেরিত প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই অফিসার স্ক্র্যাফল চলাকালীন প্রেট্তির দিকে গুলি চালায়। প্রাথমিক বিবরণে প্রেট্তি নিজের বন্দুক বের করে তোলার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, তবে নতুন তথ্য অনুযায়ী তিনি কোনো অস্ত্র ব্যবহার করেননি। এই প্রতিবেদনটি ঘটনার প্রকৃত স্বরূপ স্পষ্ট করতে সহায়তা করবে।
এজেন্টদের ছুটির সঠিক সময়সীমা ও সময়কাল এখনও প্রকাশিত হয়নি। সিবিপি জানিয়েছে, তারা মানক প্রোটোকল অনুসরণ করে এজেন্টদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নিয়েছে, যা সাধারণত গুলি চালানোর পর তদন্ত চলাকালীন প্রযোজ্য। এ ধরনের ছুটি গুলিবর্ষণ সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ ও ফৌজদারি তদন্তের সময়ে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
সিবিপি কমান্ডার গ্রেগরি বোভিনো উল্লেখ করেছেন, এজেন্টরা এখনও চাকরিতে রয়েছেন, তবে অন্য কোনো শহরে কাজ করছেন। তার এই মন্তব্য অনুসারে, এজেন্টদের সম্পূর্ণভাবে সেবা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি, বরং স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্ট, যিনি ৭ জানুয়ারি একই শহরে ৩৭ বছর বয়সী রেনি গুডকে গুলি করায় দায়ী, তাও একইভাবে প্রশাসনিক ছুটিতে রাখা হয়েছে। উভয় ঘটনার পর তদন্ত চলমান, এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি তাদের কর্মের বৈধতা ও প্রোটোকল অনুসরণ যাচাই করছে।
মিনেসোটা রাজ্যে প্রেট্তির মৃত্যুর পর ব্যাপক প্রতিবাদ দেখা গেছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে জনমত গরম হয়ে উঠেছে। দু’পক্ষের আইনপ্রণেতা ডিএইচএসের সিক্রেটারিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, যা ফেডারেল নিরাপত্তা নীতি ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মিনিয়াপোলিসে অবস্থা শমনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, যেখানে ডিএইচএসের অপারেশন মেট্রো সার্জ ডিসেম্বর থেকে চালু রয়েছে। তবে তিনি শহরের মেয়রের সঙ্গে তীব্র ভাষা-বিনিময় করেছেন, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
মিনিয়াপোলিসের মেয়র ফ্রেই টুইটার (এক্স) এ লিখে বলেছেন



