চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ রাউন্ডে মাত্র দুই দল বাকি রইল – জোসে মরিনিওর অধীনে বেনফিকা এবং রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে বেনফিকা ৩-২ গোলে রিয়ালকে অগ্রগতি করে, তবে উভয় দলেরই এক অতিরিক্ত গোলের প্রয়োজন ছিল চ্যাম্পিয়নস লিগে টিকে থাকার জন্য।
ম্যাচের শেষ পর্যায়ে রিয়াল মাদ্রিদ দু’টি লাল কার্ড পেল, যা ম্যাচের গতিপথকে আরও জটিল করে তুলল। যোগ সময়ের অষ্টম মিনিটে বেনফিকার গোলকিপার আনাতলি ত্রুবিন ফ্রি কিক থেকে হেড করে গোল করেন, ফলে স্কোর ৪-২ হয়ে রিয়াল মাদ্রিদকে সরাসরি শেষ ষোলোতে স্থান নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
ফলস্বরূপ বেনফিকা ২৪তম স্থান পেয়ে প্লে‑অফ থেকে বাদ পড়ে, আর রিয়াল মাদ্রিদ নবম স্থানে শেষ করে, ফলে তারা ও প্লে‑অফে অংশ নিতে পারবে না। উভয় দলের পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি।
পিএসজি আটটি ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে নবম স্থান অর্জন করেছে, আর ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে রয়েছে। তাদের শেষ ম্যাচে ইংলিশ ক্লাব নিউক্যাসলের সঙ্গে ড্র হয়েছে, যা টেবিলের অবস্থানকে স্থিতিশীল রেখেছে।
নরওয়ের বোডো/গ্লিমট চমক দেখিয়ে নকআউট প্লে‑অফে অগ্রসর হয়েছে। একই সময়ে মাদ্রিদের আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে পরাজিত করে দলটি গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট পেয়েছে।
আর্সেনাল কাইরাত আলমাতিকে পরাজিত করে আটে আট করে শীর্ষে উঠে লিগের শেষ পর্ব শেষ করেছে, আর লিভারপুল কারাবাগকে ৬-০ গোলে হারিয়ে দিনের সবচেয়ে বড় জয় অর্জন করেছে।
এই ফলাফলগুলো ইউরোপীয় ফুটবলের শীর্ষ স্তরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কতটা তীব্র তা আবারও প্রকাশ করেছে। বেনফিকার জন্য এই পরাজয় বড় ধাক্কা, আর রিয়াল মাদ্রিদের জন্য প্লে‑অফে না যাওয়া একটি বড় হ্রাস। পরবর্তী সপ্তাহে পিএসজি, আর্সেনাল এবং লিভারপুলের পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করবে তারা ইউরোপীয় টুর্নামেন্টে কীভাবে অগ্রসর হবে।



