23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনস্যান্ডান্সে প্রিমিয়ার 'অ্যান্টিহিরোইন' ডকুমেন্টারি কোর্টনি লাভের জীবনের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

স্যান্ডান্সে প্রিমিয়ার ‘অ্যান্টিহিরোইন’ ডকুমেন্টারি কোর্টনি লাভের জীবনের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

ব্রিটিশ চলচ্চিত্র নির্মাতা এডওয়ার্ড লভলেস এবং জেমস হল পরিচালিত বায়োডকুমেন্টারি ‘অ্যান্টিহিরোইন’ স্যান্ডান্স ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রথম প্রদর্শিত হয়েছে। ছবিটি বিকল্প রক জগতের আইকন কোর্টনি লাভের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং সৃষ্টিশীল প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।

ডকুমেন্টারিতে লাভের স্বভাবের এক দিক স্পষ্ট হয়—তার স্বীকৃত রকস্টার চিত্রের পাশাপাশি তার হাস্যরসাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি স্বীকার করেন যে তার চারপাশে নানা গল্প ঘুরে, কিছুতে তার প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক, কিছুতে পারিবারিক গয়না নিয়ে রসিকতা থাকে। এই মন্তব্যগুলো তাকে কোনো দাবি নিশ্চিত বা অস্বীকার না করে, তার অপ্রতিরোধ্য স্বচ্ছতা প্রকাশ করে।

চিত্রে উপস্থিত অন্যান্য সঙ্গীতশিল্পীদের মধ্যে রয়েছে মাইকেল স্টাইপ, মেলিসা অউফ দে মার, এরিক এরল্যান্ডসন, প্যাটি শেমেল, বিলি জো আর্মস্ট্রং এবং বাচ ওয়াকার। তাদের উপস্থিতি লাভের সঙ্গীত জগতের বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে তুলে ধরে এবং ডকুমেন্টারির বর্ণনায় বহুমাত্রিক দৃষ্টিকোণ যোগ করে।

লাভের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ১৯৯৪ সালে ঘটেছে, যখন একই সপ্তাহে তার স্বামী কর্ট কোবেইনের আত্মহত্যা এবং হোল ব্যান্ডের ‘লাইভ থ্রু দিস’ অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। তিনি এই বছরকে তার পরিচয়ের একটি স্থায়ী চিহ্ন হিসেবে উল্লেখ করেন, যা তাকে ১৯৯৪ সালের স্মৃতি দিয়ে আটকে রাখে।

কোবেইনের মৃত্যুর পর মিডিয়ার দৃষ্টিতে তার ওপর যে অভিযোগের ঢেউ উঠেছিল, তা নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে মানুষ তাকে হত্যার সঙ্গে যুক্ত করার রসিকতা শুরু করলেই তিনি তা স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করলেন। এই ধরনের জনমত তাকে দীর্ঘদিনের অবহেলা ও সমালোচনার মুখে ফেলেছে।

ডকুমেন্টারিতে তার সরল ও অপ্রস্তুত স্বর শোনায়, যেখানে তিনি কোনো রকম ফিল্টার ছাড়াই নিজের কথা প্রকাশ করেন। তার এই অমিতব্যয়ী স্বচ্ছতা দর্শকদেরকে তার ব্যক্তিত্বের এক নতুন স্তরে পৌঁছাতে সাহায্য করে।

চিত্রটি তার সৃষ্টিশীল প্রক্রিয়ার অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে, বিশেষ করে গীতিকার হিসেবে তার কাজের পদ্ধতি। তিনি কীভাবে শব্দ ও সুরকে একত্রিত করেন, কীভাবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে গানের লিরিক্সে রূপান্তরিত করেন, তা দর্শকের কাছে স্পষ্ট হয়।

‘অ্যান্টিহিরোইন’ এছাড়াও দেখায় যে তিনি দশকের বেশি সময়ের পর প্রথম নতুন অ্যালবাম রেকর্ডিংয়ে ফিরে এসেছেন। নতুন সঙ্গীতের প্রস্তুতি এবং স্টুডিওতে তার কাজের দৃশ্যগুলো ডকুমেন্টারির অন্যতম আকর্ষণীয় অংশ।

চিত্রের সুর উভয়ই রৌদ্রোজ্জ্বল এবং অন্তর্মুখী; কখনো রকসঙ্গীতের উচ্ছ্বাসে ভরপুর, আবার কখনো তার অন্তরের গভীরতা প্রকাশ করে। এই দ্বৈততা দর্শকদেরকে তার অতীত ও বর্তমানের মধ্যে সেতু গড়তে সহায়তা করে।

মোট সময় এক ঘণ্টা চৌত্রিশ মিনিটের এই ডকুমেন্টারি স্যান্ডান্সে তার প্রিমিয়ার দিয়ে রক ইতিহাসে তার স্থানকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে। শিল্পের ভক্ত ও সমালোচক উভয়ই এই কাজকে তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments