28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাআয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ এক মাস বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি হতে পারে

আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ এক মাস বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি হতে পারে

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী মাসের শেষ পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা জানিয়েছে। বর্তমান শেষ তারিখ ৩১ জানুয়ারি, তবে সূত্র অনুযায়ী এটি ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। এই পদক্ষেপের পেছনে অনলাইন দাখিলের ধীরগতি এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রভাব রয়েছে।

আয়কর রিটার্নের মূল সময়সীমা ৩০ নভেম্বর ছিল, তবে ই-রিটার্নে প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় একবারের জন্য ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এক মাস বাড়ানো হয়েছিল। এই পূর্ববর্তী বাড়তি সময়ের পরেও অনেক নিবন্ধিত করদাতা দাখিল শেষ করতে পারেনি, যা নতুন এক্সটেনশন নিয়ে আলোচনা ত্বরান্বিত করেছে।

অনলাইন সিস্টেমের ধীরগতি এবং নির্বাচনী প্রচারণার কারণে করদাতাদের দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভোটের প্রস্তুতি, ক্যাম্পেইন কার্যক্রম এবং ভোটার তালিকা আপডেটের কাজগুলো করদাতাদের সময়কে সীমিত করেছে, ফলে রিটার্ন দাখিলের হার কমে গেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই প্রকাশের কথা রয়েছে, যেখানে নতুন দাখিলের শেষ তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হবে। এই বিজ্ঞপ্তি সরকারী ওয়েবসাইট এবং ই-সেবা পোর্টাল থেকে প্রকাশিত হবে, যাতে সকল করদাতা সময়মতো তথ্য পেতে পারেন।

এনবিআরের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান উল্লেখ করেছেন, শেষ মুহূর্তে যদি নিবন্ধিত করদাতাদের বড় অংশ এখনও দাখিল না করে থাকে, তবে সময় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তবে তিনি জানান, এই বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজনীয়তা নির্ণয় করা হচ্ছে।

এই সম্ভাব্য এক মাসের বাড়তি সময় করদাতাদের জন্য উল্লেখযোগ্য স্বস্তি এনে দেবে। অতিরিক্ত সময়ের মাধ্যমে তারা আর্থিক রেকর্ড প্রস্তুত করতে, প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করতে এবং কর পরামর্শদাতার সঙ্গে সমন্বয় করতে পারবেন। ফলে শেষ মুহূর্তের তাড়া-দৌড় কমে যাবে এবং দাখিলের গুণগত মান বাড়বে।

অন্যদিকে, আয়কর সংগ্রহের সময়সূচিতে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। রাজস্বের প্রবাহে সাময়িক ধীরগতি দেখা দিতে পারে, তবে অধিক সংখ্যক করদাতার সময়মতো দাখিল নিশ্চিত হলে মোট সংগ্রহে সম্ভাব্য বৃদ্ধি ঘটতে পারে। তাই রাজস্ব বোর্ডের জন্য এটি ঝুঁকি ও সুবিধার সমন্বয়।

বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের হিসাব-নিকাশের সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করতে হবে। অতিরিক্ত এক মাসের সময়ে তারা আর্থিক বিবরণী সমন্বয়, লেনদেনের রেকর্ড আপডেট এবং কর সংক্রান্ত দায়িত্ব সম্পন্ন করতে পারবে। এই পরিবর্তন উৎপাদন ও বিক্রয় পরিকল্পনায় সামান্য সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।

কর পরামর্শদাতা ও হিসাবরক্ষকরা ক্লায়েন্টদের দ্রুত প্রস্তুতির পরামর্শ দিচ্ছেন। তারা বলছেন, দাখিলের শেষ তারিখের কাছাকাছি না গিয়ে এখনই প্রয়োজনীয় ডেটা সংগ্রহ এবং রিটার্নের খসড়া প্রস্তুত করা উচিৎ। এভাবে অতিরিক্ত সময়ের সুবিধা পুরোপুরি ব্যবহার করা যাবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য দাখিলের প্রবণতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। যদি ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দাখিলের হার প্রত্যাশিত স্তরে না পৌঁছে, তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক্সটেনশন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে করদাতাদের অবহিত করা হবে।

সারসংক্ষেপে, আয়কর রিটার্নের শেষ তারিখ এক মাস বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে, যা নির্বাচনী সময়সূচি ও অনলাইন সিস্টেমের ধীরগতি বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও বাকি, তবে করদাতাদের জন্য অতিরিক্ত সময়ের সুবিধা স্পষ্ট। ভবিষ্যতে দাখিলের হার ও রাজস্ব সংগ্রহের উপর এই পরিবর্তনের প্রভাব দেখা যাবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments