23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeস্বাস্থ্যস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নির্বাচনকালীন ক্যাম্পেইন ও ভোটকেন্দ্র ধূমপানমুক্ত করার আহ্বান

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নির্বাচনকালীন ক্যাম্পেইন ও ভোটকেন্দ্র ধূমপানমুক্ত করার আহ্বান

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজ নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের সময় সকল নির্বাচন প্রচারস্থল ও ভোটকেন্দ্রকে ধূমপানমুক্ত করার অনুরোধ জানিয়েছে। এতে ধূমপান ও তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আইনগত পদক্ষেপের প্রয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠি পাঠানো হয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের কাছে, যেখানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের স্বাক্ষর রয়েছে। মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে যে ধূমপান এবং তামাকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি এবং অপ্রতিরোধ্য মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।

সরকারের নতুন আদেশের মাধ্যমে বিদ্যমান ধূমপান ও তামাক পণ্য ব্যবহারের (নিয়ন্ত্রণ) আইনকে শক্তিশালী করা হয়েছে। এই আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে পাবলিক স্থান ও গণপরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

‘পাবলিক স্থান’ শব্দটি এমন কোনো জায়গা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে যেখানে সাধারণ মানুষ সমাবেশ করে, ফলে নির্বাচন প্রচারস্থল ও ভোটকেন্দ্রকে এই সংজ্ঞার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচনের সময় এই স্থানগুলোতে প্রচুর ভোটার ও কর্মী উপস্থিত থাকবে, তাই ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে যে ধূমপানজনিত রোগগুলো অ-সংক্রামক রোগের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে এবং প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর প্রধান কারণ। তামাকের ব্যবহার ক্যান্সার, হৃদরোগ, শ্বাসযন্ত্রের রোগসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে নিয়ে যায়, যা দেশের স্বাস্থ্য ব্যয় বাড়িয়ে দেয়।

এই প্রেক্ষাপটে সরকার নির্বাচনের সময় ধূমপানমুক্ত নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ভোটার ও কর্মীদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চায়। তাছাড়া, ধূমপানমুক্ত পরিবেশ ভোটারদের ভোটদান প্রক্রিয়ায় মনোযোগ বাড়াতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নতুন আদেশের অধীনে ভোটকেন্দ্রের ভিতরে ধূমপান করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, এবং তামাকজাত পণ্য বিক্রি বা ব্যবহার করা যাবে না। এই নিয়মের লঙ্ঘন করলে আইনগত শাস্তি আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে, যা ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা এখন থেকে তাদের ক্যাম্পেইন কার্যক্রমে ধূমপানমুক্ত নীতি মেনে চলতে হবে। ক্যাম্পেইন র্যালি, সভা, স্টল ইত্যাদি স্থানে ধূমপান নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, ভোটকেন্দ্রের আশেপাশের পাবলিক পরিবহন, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে ইত্যাদিতেও একই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে। ফলে ভোটারদের যাতায়াতের সময়ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ বজায় থাকবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক ধূমপান হ্রাসের লক্ষ্যে অগ্রসর হতে চায়। পূর্বে গৃহীত ধূমপানবিরোধী নীতি ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের সঙ্গে এই পদক্ষেপ একত্রে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হবে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন তদারকি করা এবং প্রয়োজনে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ভোটকেন্দ্রের কর্মী ও নিরাপত্তা কর্মীরা ধূমপানমুক্ত নীতি মেনে চলা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ পাবে।

সামগ্রিকভাবে, ধূমপান ও তামাকের ব্যবহার সীমাবদ্ধ করে ভোটকেন্দ্র ও ক্যাম্পেইন স্থানে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলা, জনগণের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
AI-powered স্বাস্থ্য content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments