28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি ধারা-৮ প্রার্থী মির্জা আব্বাসের ভোটের আগে শান্তিপূর্ণ রাজনীতির আহ্বান

বিএনপি ধারা-৮ প্রার্থী মির্জা আব্বাসের ভোটের আগে শান্তিপূর্ণ রাজনীতির আহ্বান

ঢাকা‑৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ২৮ জানুয়ারি বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলের ব্রাদার্স ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে ভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। তিনি উল্লেখ করেন, পার্টি কোনো বিরোধে জড়িয়ে পড়বে না এবং বিজয়ী অবস্থান বজায় রাখতে উত্তেজনাপূর্ণ মন্তব্য বা কাজ থেকে বিরত থাকবে।

সমাবেশে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এখনো বিজয়ের দরজার কাছাকাছি, তাই কোনো উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত সাফল্য নষ্ট করা যাবে না। তিনি উপস্থিত ভক্তদের স্মরণ করিয়ে দেন, ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি নাগাদ জনগণই শেষ সিদ্ধান্ত নেবে।

মির্জা আব্বাসের মতে, কিছু গোষ্ঠী অসৎ উদ্দেশ্যে দেশের দুর্বলতা বজায় রাখতে চায়। তিনি এ ধরনের গোষ্ঠীর কার্যকলাপকে দেশের স্বার্থের বিপরীত হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং ভোটের মাধ্যমে জনগণকে তাদের প্রভাবের জবাব দিতে আহ্বান জানান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির সামনে কোনো দল টিকে থাকতে পারবে না, এই বাস্তবতা স্বীকার করা জরুরি। তার কথায় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হলেও, তিনি তা উৎসবমুখরভাবে পরিচালনা করার পরামর্শ দেন, যাতে ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকে।

বিএনপি কর্মীদের অশৃঙ্খল নয়, দলটি শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে দৃঢ় বিশ্বাসী, এ কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু সংগঠন পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে বিএনপির সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীকে তিনি “মহল” বলে উল্লেখ করে, তাদের কৌশলকে গোপনীয়ভাবে চালু করা অপকৌশল হিসেবে চিহ্নিত করেন।

মির্জা আব্বাসের মতে, নির্বাচনী অভিজ্ঞতা না থাকা ব্যক্তিরা বিশেষ করে বিএনপিকে হেয় করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি এ ধরনের প্রচারকে অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেন এবং ভোটারদেরকে বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে আহ্বান জানান।

সমাবেশে তিনি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা অবশ্যম্ভাবী হলেও তা উৎসবের রঙে রঙিন হওয়া উচিত, এমনই বার্তা দেন। উত্তেজনা বাড়লে সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট হতে পারে, তাই সকলকে সংযম বজায় রাখতে অনুরোধ করেন।

বক্তা তরুণ প্রজন্মের আচরণে শালীনতার অভাবের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এমন অশালীনতা রাজনৈতিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তিনি যুবকদেরকে শালীনতা ও নৈতিকতা বজায় রেখে রাজনৈতিক আলোচনায় অংশ নিতে উৎসাহিত করেন।

বক্তা শেষের দিকে শেখ সাদীর কবিতার একটি লাইন উল্লেখ করে, যেখানে অনাচারী ও শালীন মানুষের ভাগ্যের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি এই কবিতার অর্থকে রাজনৈতিক শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার সঙ্গে যুক্ত করে বলেন, শালীনতা বজায় রাখলে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।

বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেন, মির্জা আব্বাসের এই বক্তব্য বিএনপির ভোটের আগে শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার প্রচেষ্টা নির্দেশ করে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের আগে সকল দলই সংযমের আহ্বান জানাচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments