28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিরাজ্যসভা আজ খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মানসূচক সমাধি স্মরণসভা পরিচালনা করবে

রাজ্যসভা আজ খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মানসূচক সমাধি স্মরণসভা পরিচালনা করবে

ভারতীয় রাজ্যসভা আজ পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনের পর প্রেসিডেন্টের ভাষণ শেষ হওয়ার অর্ধঘণ্টা পর এক সিরিজ সমাধি স্মরণসভা পরিচালনা করবে। এ অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের প্রতি সম্মান জানানো হবে।

উচ্চসভার অফিসিয়াল লিস্ট অফ বিজনেসে উল্লেখ আছে যে, সমাধি স্মরণসূচি প্রেসিডেন্টের ভাষণের পর অর্ধঘণ্টা পরই শুরু হবে এবং তা সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রেকর্ড করা হবে।

সম্মানসূচিতে খালেদা জিয়ার পাশাপাশি শ্রী L গ্যানেসন এবং শ্রী সুরেশ কালমাদি, যাঁরা উভয়ই পূর্বে রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন, তাঁদের নামও অন্তর্ভুক্ত।

সেক্রেটারি-জেনারেল আজকের সভায় প্রেসিডেন্টের ভাষণের ইংরেজি ও হিন্দি উভয় সংস্করণ টেবিলে উপস্থাপন করবেন, যা উভয় ঘরে একসাথে সমাবেশের সময় পাঠ করা হয়েছিল।

এই লিস্ট অফ বিজনেসের প্রস্তুতি ও প্রকাশনা রাজ্যসভার সেক্রেটারি-জেনারেল পি.সি. মডি গতকালই সম্পন্ন করেন।

খালেদা জিয়া বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, দুইবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে বিএনপির চেয়ারপার্সন। তার রাজনৈতিক জীবন ও নেতৃত্বের ভূমিকা ভারতীয় সংসদে স্বীকৃতি পেতে এই সমাধি স্মরণসভা একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, ভারতের এই সম্মানসূচি দু’দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে পুনরায় জোরদার করতে পারে এবং পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ভারতের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলিও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মন্তব্য করেছে যে, সমাধি স্মরণসভা দেশের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে একটি প্রথা এবং এটি সকল দেশের বিশিষ্ট নেতাদের প্রতি সমানভাবে প্রযোজ্য।

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পদ গ্রহণের পর থেকে বহু উত্থান-পতন দেখেছে, যার মধ্যে ২০০১-২০০৬ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ের সরকারী মেয়াদ অন্তর্ভুক্ত।

এই সম্মানসূচি দু’দেশের কূটনৈতিক মঞ্চে নতুন আলোচনার দরজা খুলে দিতে পারে, বিশেষ করে বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলসম্পদ সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে পারস্পরিক সমঝোতা বাড়াতে।

সমাধি স্মরণসভা শেষ হওয়ার পর, রাজ্যসভার সদস্যরা সংশ্লিষ্ট নোটিশে স্বাক্ষর করবেন এবং পরবর্তী দিনের পার্লামেন্টের এজেন্ডা নির্ধারণের জন্য প্রস্তুতি নেবেন।

প্রেসিডেন্টের ভাষণের কপি টেবিলে রাখার মাধ্যমে উভয় ঘরের সদস্যদের ঐতিহাসিক নথি পুনরায় পর্যালোচনা করার সুযোগ হবে, যা ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

এই ধরনের সম্মানসূচি ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিক নেতাদের প্রতি করা যেতে পারে, যা ভারতীয় সংসদের বহুমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করবে।

আজকের সমাধি স্মরণসভা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, রাজ্যসভার কর্মসূচি অনুযায়ী অন্যান্য আইনগত ও নীতিগত বিষয়গুলোতে কাজ চালিয়ে যাবে, যা দেশের শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments