ভারত এ অধিনায়ক দল আইসিসি অ্যান্ডার-১৯ পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতিতে, জিম্বাবুয়ে দলের বিরুদ্ধে ২০৪ রান পার্থক্যে জয়লাভ করেছে। এই জয়টি দলকে টুর্নামেন্টে অপরাজিত রাখে এবং সেমি-ফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়।
দলটি এখন পর্যন্ত চারটি ধারাবাহিক জয় অর্জন করেছে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় অন্তর্ভুক্ত। এই ধারাবাহিকতা তাদের টুর্নামেন্ট রেকর্ডকে শক্তিশালী করেছে এবং শীর্ষে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বাড়িয়েছে।
জিম্বাবুয়ে ম্যাচে ভারত এ ৫০ ওভারের সম্পূর্ণ সময় খেলেছে এবং ৩৫২ রান ৮ উইকেটের সঙ্গে শেষ করেছে। এটি দলটির প্রথম জয় যা ডি.এল.এস পদ্ধতির প্রভাব থেকে মুক্ত এবং প্রথমবার পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং সম্পন্ন করেছে। জিম্বাবুয়ে দল এই স্কোরের সঙ্গে লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি।
বাটিংয়ে বিশেষ উজ্জ্বলতা দেখিয়েছে ভিহান মালহোত্রা, যিনি ১০৭ বলের মধ্যে ১০৯ রান অচল রেখে সাতটি চতুর্থার সঙ্গে নিজের নাম রেকর্ডে যুক্ত করেছেন। তিনি ১১ নম্বর ওভারে প্রবেশ করে ধারাবাহিকভাবে ব্যাটিং চালিয়ে গেছেন এবং শেষ পর্যন্ত অচল রয়ে দলকে বড় স্কোরে পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন।
৩৫২ রান টুর্নামেন্টের এখন পর্যন্ত চতুর্থ সর্বোচ্চ স্কোর হিসেবে রেকর্ডে যুক্ত হয়েছে, যা দলের আক্রমণাত্মক শক্তি এবং গভীর ব্যাটিং লাইনের প্রমাণ।
ক্যাপ্টেন আয়ুশ মাথরে নিজের বোলিং পারফরম্যান্সে তিনটি উইকেট (৪ ওভারে ১৪ রান) নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন এবং মালহোত্রার ব্যাটিং পারফরম্যান্সকে প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছিলেন, “ভিহান সত্যিই ভালো পারফর্ম করছেন, তার আত্মবিশ্বাস এবং ব্যাটিং শৈলী দলকে বড় সুবিধা দিচ্ছে।”
বোলিং দিক থেকে উধব মোহন ৬ ওভার ও ৪ বলে ২০ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন, আর আর.এস. অম্ব্রিশ ২ উইকেটের সঙ্গে ১৯ রান দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের ত্বরিত বোলিং পারফরম্যান্স জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের স্কোর সীমাবদ্ধ রাখতে সহায়তা করেছে।
এই জয়কে দলটি একটি ইতিবাচক মুহূর্ত হিসেবে গণ্য করেছে এবং পরের ম্যাচে পাকিস্তান দলের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ক্যাপ্টেন মাথরে উল্লেখ করা হয়েছে, “এই ম্যাচে আমরা ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছি, এবং এই গতি বজায় রাখলে পরের ম্যাচেও সফল হতে পারব।”
সামগ্রিকভাবে, ভারত এ দলের আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং টুর্নামেন্টে গভীর অগ্রগতি করার সম্ভাবনা স্পষ্ট। পরবর্তী ম্যাচে পাকিস্তানকে পরাজিত করে সেমি-ফাইনালে প্রবেশের লক্ষ্য স্পষ্ট, এবং দলটি এই মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে আরও শক্তিশালী পারফরম্যান্সের দিকে অগ্রসর হবে।



