28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিরিপাবলিকান পার্টি মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন শুটিং নিয়ে সমালোচনা বাড়িয়ে দিল

রিপাবলিকান পার্টি মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন শুটিং নিয়ে সমালোচনা বাড়িয়ে দিল

রিপাবলিকান পার্টির কিছু আইনপ্রণেতা মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টদের দ্বারা দুইজন আমেরিকান নাগরিকের মৃত্যু ঘটার পর ইমিগ্রেশন নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বা তার বিস্তৃত ইমিগ্রেশন এজেন্ডার সরাসরি সমালোচনা থেকে দূরে রয়েছেন।

মিনিয়াপোলিসে রেনি গুড এবং আলেক্স প্রেট্টি নামে দুইজন নাগরিকের গুলি করে হত্যা করা হয়, যা ফেডারেল এজেন্টদের পরিচালিত ইমিগ্রেশন অপারেশনের অংশ ছিল। এই ঘটনার পর শহরে এবং দেশের বিভিন্ন অংশে প্রতিবাদ শুরু হয়, যেখানে নাগরিকরা আইন প্রয়োগের অতিরিক্ত শক্তি ব্যবহারের বিরোধিতা করে।

মধ্যমেয়াদী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান পার্টি একটি কৌশলগত দ্বিধার মুখে। পার্টি কি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে গৃহীত সবচেয়ে বিতর্কিত নীতিগুলোর থেকে নিজেকে আলাদা করবে, নাকি তার ইমিগ্রেশন রেকর্ডকে ভোটারদের কাছে তুলে ধরবে, তা নিয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা চলছে। ইমিগ্রেশন ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে ট্রাম্পের নীতি রক্ষণশীল ভোটারদের মধ্যে এখনও জনপ্রিয়, তাই পার্টি এই সমর্থনকে হারাতে চায় না।

এই সময়ে রিপাবলিকান পার্টির বেশিরভাগ সমালোচনা আইসিই (ICE) এবং ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (DHS) এর নির্দিষ্ট বিভাগগুলোর দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যারা মিনিয়াপোলিসে অপারেশনটি পরিচালনা করেছে। তবে তারা ট্রাম্পের সামগ্রিক ইমিগ্রেশন পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন প্রকাশে অনিচ্ছুক রয়ে গেছে।

গত বছর রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণে থাকা কংগ্রেস প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ডলার সীমান্ত নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ প্রয়োগের জন্য অনুমোদন করে, যা ট্রাম্পের লক্ষ্যমাত্রা—অনেক সংখ্যক অবৈধ অভিবাসীকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া—সফল করতে সহায়তা করে। এই আর্থিক সহায়তা নির্বাচনের আগে পার্টির ইমিগ্রেশন নীতির প্রতি দৃঢ়তা নির্দেশ করে।

জনমত জরিপে দেখা যায়, অধিকাংশ আমেরিকান নাগরিক মনে করেন ICE এর কৌশল ট্রাম্পের শাসনকালে অতিরিক্ত সীমা অতিক্রম করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা সংস্থার সাম্প্রতিক জরিপে ৬১ শতাংশ ভোটার ICE এর পদ্ধতিকে “অত্যধিক” বলে উল্লেখ করেছে। এই জরিপটি রেনি গুডের মৃত্যু দুই সপ্তাহ পর এবং আলেক্স প্রেট্টির মৃত্যুর এক দিন আগে প্রকাশিত হয়।

ফেডারেল এজেন্টদের গুলিবর্ষণ পর দেশব্যাপী প্রতিবাদে রাস্তায় মানুষ নেমে আসে, যেখানে মানবাধিকার সংস্থা এবং নাগরিক গোষ্ঠী আইন প্রয়োগের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা দাবি করে। এই আন্দোলন রিপাবলিকান পার্টির অভ্যন্তরে ইমিগ্রেশন নীতি নিয়ে বিতর্ক তীব্র করে তুলেছে।

কংগ্রেসের কিছু রিপাবলিকান সদস্য শুটিংয়ের পদ্ধতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তারা উল্লেখ করেন যে আইন প্রয়োগের সময় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ফলে জনসাধারণের আস্থা ক্ষয়প্রাপ্ত হতে পারে। তবে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামগ্রিক ইমিগ্রেশন দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থন থেকে দূরে সরে না গিয়ে, কেবল নির্দিষ্ট অপারেশনকে লক্ষ্যবস্তু করে সমালোচনা সীমাবদ্ধ রেখেছেন।

এই পরিস্থিতি রিপাবলিকান পার্টির জন্য একটি সূক্ষ্ম সমন্বয় কাজের মতো। পার্টি যেন শুটিংয়ের তীব্র সমালোচনা করে, একই সঙ্গে ট্রাম্পের ইমিগ্রেশন রেকর্ডকে ভোটারদের কাছে উপস্থাপন করতে পারে, তা তাদের রাজনৈতিক কৌশলের মূল চ্যালেঞ্জ।

মিড-টার্ম নির্বাচন আসন্ন হওয়ায়, এই বিষয়টি পার্টির ভোটার ভিত্তি এবং নির্বাচনী ফলাফলে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনো অনিশ্চিত। ইমিগ্রেশন নীতি ও ফেডারেল শুটিংয়ের বিষয়গুলোকে কীভাবে সামলাবে, তা রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments