রাহুল শঙ্কৃতিয়ান রানাবালি ছবির টিজার এআই ব্যবহার করে তৈরি নয়, ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে তৈরি হয়েছে বলে জানিয়ে গেছেন। টিজার প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে এআই ব্যবহারের দাবি উঠে আসে, যা চলচ্চিত্রের প্রাক-স্বাধীনতা যুগের দৃশ্যপটকে তুলে ধরার জন্য প্রশংসা পেয়েছিল।
সেই পোস্টে টিজারকে “সেন্সেশনাল” বলে উল্লেখ করে, এআই দিয়ে বড় অংশ তৈরি করা হয়েছে এবং ব্রিটিশ শাসনের সময়ের সম্পদ লুণ্ঠন ও গণহত্যা দেখানো হয়েছে বলে বর্ণনা করা হয়। পোস্টের মন্তব্যে টিজারের ভিজ্যুয়াল ইম্প্যাক্টের প্রশংসা করা হলেও, এআই ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
রাহুল শঙ্কৃতিয়ান টুইটারে দ্রুত উত্তর দিয়ে স্পষ্ট করেন, “ধন্যবাদ @idlebrainjeevi গারু। তবে এআই ব্যবহার করা হয়নি, প্রতিটি ফ্রেম পুরনো পদ্ধতিতে কাজ করা হয়েছে এবং এতে কয়েক মাসের সময় লেগেছে।” তার এই মন্তব্যটি টুইটারে শেয়ার হয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
অনেক দর্শক ও শিল্প সমর্থক রাহুলের এই ব্যাখ্যাকে স্বাগত জানিয়ে, হাতে তৈরি দৃশ্যের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। এআই-সৃষ্ট কন্টেন্টের প্রবণতা বাড়ার সময়, ঐতিহ্যবাহী চিত্রনাট্য ও ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে।
রানাবালি ছবিতে ভিজয় দোভেরকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দান্না প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করবেন, এবং মিথ্রি মুভি মেকার্স প্রযোজক হিসেবে কাজ করবে। মিথ্রি মুভি মেকার্স পূর্বে পুশ্পা সিরিজের মাধ্যমে বিশাল সাফল্য অর্জন করেছে, তাই এই প্রকল্পটিও উচ্চ প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছে।
চলচ্চিত্রের শিরোনাম প্রকাশের জন্য রিপাবলিক ডে নির্ধারিত হয়েছে, যা দর্শকদের মধ্যে ছবির থিম ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে এমন অনুমান বাড়িয়ে দিয়েছে। শিরোনাম প্রকাশের দিনটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ তা স্বাধীনতার স্মরণে একটি প্রতীকী তারিখ।
রাহুল শঙ্কৃতিয়ানের এই স্পষ্টীকরণ টিজারকে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে, এবং ছবির প্রত্যাশা বাড়িয়েছে। প্রচলিত শুটিং পদ্ধতি ও দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রমের ফলে তৈরি দৃশ্যগুলো দর্শকদের কাছে নতুন অভিজ্ঞতা প্রদান করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রানাবালি বর্তমানে তেলুগু চলচ্চিত্রের মধ্যে সবচেয়ে প্রত্যাশিত প্রকল্পগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এবং এআই নিয়ে গড়ে ওঠা গুজবের পরেও ছবির সৃজনশীল দিকটি দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে। চলচ্চিত্রের মুক্তি ও শিরোনাম প্রকাশের অপেক্ষায় থাকা ভক্তদের জন্য এই ব্যাখ্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র হিসেবে কাজ করবে।



