22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমার্ক কার্নি ডাভোসের বক্তব্যের পক্ষে দাঁড়ালেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে বিতর্ক না

মার্ক কার্নি ডাভোসের বক্তব্যের পক্ষে দাঁড়ালেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে বিতর্ক না

অটোয়া-তে মঙ্গলবার মার্ক কার্নি, কানাডিয়ান সরকারকে প্রতিনিধিত্বকারী প্রধানমন্ত্রীরূপে, ডাভোসে প্রকাশিত তার মন্তব্যের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিলেন। তিনি জানিয়ে দেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় তিনি তার ডাভোসের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করেননি এবং তার মূল বার্তা অটুট রয়েছে।

কার্নি নিশ্চিত করেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথোপকথনটি বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল এবং উভয় পক্ষই ইউক্রেন, ভেনেজুয়েলা, আর্কটিক নিরাপত্তা এবং চীনের সঙ্গে কানাডার সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি সহ বিস্তৃত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের স্কট বেসেন্টের সোমবারের ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন যে কার্নি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে তার ডাভোসের মন্তব্যকে “খুবই আক্রমণাত্মকভাবে” প্রত্যাহার করার চেষ্টা করেছেন। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কার্নি বেসেন্টের স্মরণকে অস্বীকার করে বলেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্পই কলটি শুরু করেছিলেন এবং কথোপকথনটি সুষ্ঠু ছিল।

ডাভোসে কার্নির বক্তব্য আন্তর্জাতিক দৃষ্টিতে নজর কেড়েছিল, যেখানে তিনি পরোক্ষভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের পোস্ট‑ওয়ার বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তনকে সমালোচনা করেন এবং একটি “বিচ্ছিন্নতা” উল্লেখ করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী ডাভোসের ভাষণে তিনি কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল বলে উল্লেখ করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।

কানাডিয়ান সরকার এবং মার্কিন ট্রেজারি উভয়েরই যুক্তি ভিন্ন হলেও, কার্নি স্পষ্ট করে বলেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে তারা USMCA—কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে চলমান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি—সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, যা এই বছর বাধ্যতামূলক পর্যালোচনার মুখে।

কার্নি জোর দিয়ে বলেন যে তার ডাভোসের বক্তব্যে কানাডা কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির পরিবর্তনকে প্রথমে উপলব্ধি করেছে এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিয়েছে তা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি যোগ করেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্পও কানাডার অবস্থানকে বুঝতে পারছেন।

ফক্স নিউজে বেসেন্ট কানাডিয়ান সরকারকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আলোচনার জন্য সমালোচনা করেন এবং ডাভোসে কার্নির বক্তব্যের পেছনে তার চিন্তা-ভাবনা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল, এবং উত্তর-দক্ষিণ বাণিজ্য পূর্ব-পশ্চিম বাণিজ্যের তুলনায় অনেক বেশি।

বেসেন্ট আরও বলেন যে প্রধানমন্ত্রীকে কানাডিয়ান জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, গ্লোবালিস্ট এজেন্ডা অনুসরণ করার চেয়ে। এই মন্তব্যগুলো কানাডি-আমেরিকান বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

দুই দেশের মধ্যে চলমান USMCA পর্যালোচনা এবং বৃহত্তর কূটনৈতিক আলোচনার প্রেক্ষিতে এই পারস্পরিক বিবৃতি ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে। উভয় পক্ষই বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রাখতে চায়, তবে রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা সামলাতে হবে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন যে কানাডি সরকারকে নিজের নীতি দিকনির্দেশনা বজায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা মেটাতে হবে, বিশেষ করে বাণিজ্য চুক্তি ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে। এই ঘটনাটি কানাডার স্বতন্ত্রতা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ের মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

মার্ক কার্নির এই প্রকাশের পর কানাডিয়ান সরকার থেকে অতিরিক্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য শোনা যায়নি, তবে USMCA পর্যালোচনা নিকটবর্তী হওয়ায় আরও কূটনৈতিক মিথস্ক্রিয়া প্রত্যাশিত।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments