28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের নির্বাচনী র্যালিতে নারী নিরাপত্তা ও ধর্মীয় পোশাকের স্বাধীনতা...

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের নির্বাচনী র্যালিতে নারী নিরাপত্তা ও ধর্মীয় পোশাকের স্বাধীনতা বিষয়ক প্রতিশ্রুতি

যশোর ঈদগাহ মাঠে ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির শফিকুর রহমান নারী নিরাপত্তা, ধর্মীয় পোশাকের স্বাধীনতা এবং দেশের নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিশদ বক্তব্য রাখেন। তিনি উপস্থিত সমাবেশকে জানিয়ে দেন যে, নির্বাচনের পর যদি দল শাসনে আসে তবে নারীদের জন্য বিশেষ বাস ও শৌচাগার ব্যবস্থা করা হবে এবং প্রত্যেক নাগরিককে নিজের ধর্মের বিধান অনুসারে পোশাক পরার অধিকার থাকবে।

শফিকুর রহমানের মতে, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষভাবে মায়ের জন্য রাত্রিকালীন বাস সেবা চালু করা হবে এবং পাবলিক স্থানে শৌচাগার নির্মাণে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি জোর দেন যে, এই ব্যবস্থা নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণে সহায়ক হবে এবং নির্বাচনী প্রচারণার সময় নারীর কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত his remarks emphasized that every citizen will be free to dress according to the norms of his or her faith without external interference. He stressed that this principle will be upheld in any future government formed by his party, reflecting the party’s commitment to religious tolerance.

রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে শফিকুর রহমান অতীতের ‘বস্তাপচা’ রাজনীতিকে শেষ করে নতুন, পরিবারতন্ত্রমুক্ত রাজনীতি গড়ে তোলার কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, তার দলের লক্ষ্য কেবল জয়লাভ নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি নাগরিকের সমষ্টিগত সাফল্য অর্জন করা। এই দৃষ্টিভঙ্গি তিনি দেশের সমগ্র জনগণের মঙ্গলের জন্য একটি নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে উপস্থাপন করেন।

যশোরকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর, যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন শফিকুর রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং নাগরিকদের মৌলিক সেবা নিশ্চিত হবে।

ভোটের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথমে ‘হ্যাঁ’ ভোট অনুষ্ঠিত হবে, যা স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে গণ্য হবে; ‘না’ ভোটকে তিনি ‘গোলামি’ শব্দের সঙ্গে তুলনা করেন। ‘হ্যাঁ’ ভোটের পর পরবর্তী ধাপে প্রতীকের মাধ্যমে সরকার গঠন হবে, যা দেশের রাজনৈতিক কাঠামোকে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় নারীদের ওপর হেনস্থা ও বাধা সম্পর্কে শফিকুর রহমান কঠোর নিন্দা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু গোষ্ঠী একদিকে নারীদের ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করে, অন্যদিকে নির্বাচনী কাজের সময় তাদের শারীরিক হুমকি দেয়; এই দ্বিমুখী আচরণ তিনি গ্রহণযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করেন।

শফিকুর রহমান একটি ‘বন্ধু সংগঠন’কে ইঙ্গিত করে বলেন, এই সংগঠন নারীদের ফ্যামিলি কার্ড সরবরাহের দাবি করে, তবে একই সময়ে যখন নারীরা কোনো দলের পক্ষে ভোটের জন্য বের হন, তখন তাদের গায়ে হাত দেয়া হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি এবং নারীর নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য থাকতে পারে না।

এ ধরনের দ্বৈত মানসিকতা জাতিকে যে বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে, তা তিনি প্রশ্নবিদ্ধ করেন। শফিকুর রহমানের মতে, ভবিষ্যতে যদি এমন কোনো দল ক্ষমতায় আসে, যারা নারীর গায়ে হাত দেয়, তবে দেশের কোনো মা‑বোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। এই সতর্কবার্তা তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নারীর মর্যাদা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরতে ব্যবহার করেন।

শেষে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, নির্বাচনের ফলাফল এবং পরবর্তী প্রতীকের ভোট দেশের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি সকল ভোটারকে স্বাধীন ও ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে আহ্বান জানান এবং দেশের সমগ্র জনগণের মঙ্গলের জন্য একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments