20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমির্জা আব্বাসের নির্বাচনী র্যালি: চা দাওয়াতকে হুমকি দাবি, বিরোধীদের সমালোচনা

মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী র্যালি: চা দাওয়াতকে হুমকি দাবি, বিরোধীদের সমালোচনা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মালিবাগের গুলবাগ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় একাধিক মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, তার চা দাওয়াতকে এখনো হুমকি হিসেবে গন্য করা হচ্ছে এবং সবকিছুতে তার দোষ আরোপ করা হচ্ছে।

মির্জা আব্বাসের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল তার ওপর চাপ বাড়ানোর প্রচেষ্টা এবং বিরোধীদের সমালোচনা। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিপক্ষের কথায় তিনি ভীত নন এবং তাদের ফাঁদে পড়তে দেবেন না। নিজের রাজনৈতিক যাত্রা তুলনা করে তিনি বলেন, তিনি ঢাকা শহরে বহু বছর ধরে কাজ করে আসছেন এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় তার বন্ধু ও আত্মীয়স্বজনের নেটওয়ার্ক রয়েছে।

বিরোধীদের তুলনায় তার সমর্থকদের সংখ্যা বেশি বলে তিনি দাবি করেন এবং জোর দিয়ে বলেন, তার ভোটের দাবি এবং প্রতিপক্ষের ভোটের দাবি সমান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রতিপক্ষ কীভাবে এলাকার উন্নয়নের কাজ করেছে এবং কী পরিকল্পনা রয়েছে। তার মতে, কিছু লোক পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করার চেষ্টা করছে, যা তিনি অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।

রালির পথ ছিল মৌচাক মোড় থেকে মালিবাগ মোড় ও রাজারবাগ পুলিশ গেট পর্যন্ত, যেখানে তিনি গণসংযোগের মাধ্যমে উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে কথা বলেন। বিকেলে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি ও সমর্থক সংগঠনগুলোর আয়োজনে একটি বিশাল নির্বাচনী মিছিলের নেতৃত্ব দেন, যা স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্টে উল্লেখিত হয়েছে।

মির্জা আব্বাসের আরেকটি মন্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের সময় কিছু অতিথি ‘পাখি’ মত দেখা যায়, পরে আর দেখা যায় না। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে বলেন, কেউই তাকে অপ্রাপ্য বলে দাবি করতে পারে না। অতিরিক্তভাবে, তিনি বলছেন, আন্দোলন ও সংগ্রামের সময় এলাকায় মানুষ হাত তুলে সমর্থন জানিয়েছে এবং পুলিশি হামলার পর বিভিন্ন মার্কেটে আশ্রয় নিয়েছেন।

প্রাক্তন মন্ত্রীরূপে তার বহুবার সংসদ সদস্যের পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউই তার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে যাওয়ার দাবি করতে পারে না। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তিনি কখনো মিথ্যা আশ্বাস দেন না এবং কোনো ক্ষতি করার জন্য মিথ্যা কথা বলেন না। তিনি নিজেকে ফেরেশতা না হলেও সৎভাবে কাজ করার মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করেন।

মির্জা আব্বাসের মতে, জেলে থাকাকালেও এলাকার মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে তার বাড়িতে আসতে থাকে। তার স্ত্রী ও সহকর্মীরা সমস্যার সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কতজনকে তিনি সাহায্য করেছেন, কতজনের শেষকৃত্য বা বিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, এবং কতজনের সঙ্গে তার সংযোগ রয়েছে।

একটি রূপক ব্যবহার করে তিনি বলেন, কিছু ‘মাছের পোনা’ এসে তার বাড়িতে পৌঁছেছে, যা তিনি স্থানীয় সমস্যার সমাধানে সহায়তা হিসেবে দেখেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কিছু লোক লাল কার্ড দেখানোর হুমকি দিচ্ছে, তবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, লাল কার্ডের ব্যবহারকারীই মূলত চাঁদাবাজি করছেন।

মির্জা আব্বাসের মতে, যারা লাল কার্ড দেখানোর দাবি করছে, তারা ১২ তারিখে জনগণের কাছ থেকে একই রকম প্রতিক্রিয়া পাবে। তিনি ভবিষ্যৎ নির্বাচনে জনগণকে সতর্ক করে জানান, যারা লাল কার্ডের মাধ্যমে ভোট জিততে চায়, তারা শেষ পর্যন্ত নিজেদেরই মুখে লাল কার্ড দেখাবে।

শেষে, মির্জা আব্বাসের মন্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যদি আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া যায়, তবে একই পদ্ধতিতে বিএনপিকেও তাড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি এই ধারণা প্রকাশ করেন যে, রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন এক ধরনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে, যা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে প্রভাবিত করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments