20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধগোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোপালগঞ্জ টেক) প্রধান ফটকের কাছাকাছি সোমবার রাত প্রায় ১০ টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঘটনাস্থলে কোনো প্রাণহানি, আঘাত বা সম্পত্তিগত ক্ষতি রেকর্ড করা যায়নি। স্থানীয় পুলিশ, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।

প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, দুইটি মোটরসাইকেলে চারজন অপরিচিত ব্যক্তি ক্যাম্পাসের মূল গেটের প্রায় ৬০‑৭০ মিটার দূর থেকে হাতে তৈরি ককটেল নিক্ষেপ করে দ্রুত শহরের দিকে অদৃশ্য হয়। বিস্ফোরণের ফলে তীব্র শব্দ শোনা যায়, যা ক্যাম্পাস জুড়ে অস্থায়ী আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং শিক্ষার্থী ও কর্মীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ককটেলটি মেইন গেটের নিকটে পড়ে, তবে কোনো শারীরিক ক্ষতি না ঘটার ফলে তা দ্রুতই নিরাপত্তা কর্মীরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

বিরোধী ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রক্টর আরিফুজ্জামান রাজীব, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং জেলা পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা现场 পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে জরুরি নিরাপত্তা বলয় গঠন করেন এবং তৎক্ষণাৎ অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্থানীয় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ক্যাম্পাসের সব প্রবেশদ্বার ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে।

প্রক্টর আরিফুজ্জামান জানান, ককটেলটি মেইন গেটের কাছাকাছি পড়ে কিন্তু কোনো ব্যক্তি আহত হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, প্রাথমিক ধারণা হল এই কাজটি আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে এবং কোনো ধ্বংসাত্মক উদ্দেশ্য দেখা যায়নি। ঘটনাটি জানার পর তিনি প্রায় পনেরো মিনিটের মধ্যে现场 পৌঁছান এবং পরে পুলিশ ও উপাচার্য স্যারও উপস্থিত হন। তিনি জোর দিয়ে বললেন, “বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তদন্ত চলমান।”

অতিরিক্ত পুলিশ সুপারভাইজার মো. সারোয়ার হোসেন মিডিয়া গ্রুপের মাধ্যমে জানিয়েছেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা বলয় গঠন করে তল্লাশি অভিযান চালায়। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ককটেলটি হাতে তৈরি এবং বিস্ফোরণে কোনো শারীরিক ক্ষতি হয়নি, যা নির্দেশ করে যে এটি সীমিত পরিমাণে প্রস্তুত করা হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে ফোরেন্সিক দল পাঠিয়ে বিস্ফোরকের অবশিষ্টাংশ সংগ্রহ করেছে এবং তা বিশ্লেষণের জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় ক্যাম্পাসের সিসি ক্যামেরা রেকর্ড পরীক্ষা করা হচ্ছে। ভিডিও ফুটেজ থেকে সন্দেহভাজনদের সনাক্ত করার কাজ চলছে এবং সনাক্ত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে তদন্তাধীন তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধের প্রকৃতি, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য সহায়তাকারী ব্যক্তিদের সনাক্ত করা হবে। পুলিশ ইতিমধ্যে FIR দায়ের করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

পুলিশের মতে, ঘটনাস্থলে কোনো অস্ত্র বা বিস্ফোরক উপাদান পাওয়া যায়নি, যা নির্দেশ করে ককটেলটি স্বল্প পরিমাণে তৈরি করা হয়েছিল এবং তা দ্রুত বিস্ফোরিত হয়ে কোনো ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলেনি। নিরাপত্তা দল ঘটনাস্থলকে সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত রাখে, ক্যাম্পাসের সব প্রবেশদ্বার ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং শিক্ষার্থী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনার প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ক্যাম্পাসের চারপাশে অতিরিক্ত গার্ড, উচ্চ রেজোলিউশনের সিসি ক্যামেরা এবং পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে, পাশাপাশি নিয়মিত তল্লাশি ও নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। তদন্তের ফলাফল জানার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং দায়িত্বশীলদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments