ঢাকা-১৪ আসনে আগামী নির্বাচনে তিনটি প্রধান প্রার্থী মুখোমুখি – বিএনপি থেকে সানজিদা ইসলাম তুলি, জামায়াত-এ-ইসলামি থেকে মীর আহমাদ বিনকাসেম (ব্যারিস্টার আরমান) এবং স্বাধীন প্রার্থী সাঈদ আবু বকর সিদ্দিক সাজু। গুমের ঘটনা, ফুটবলের জনপ্রিয়তা এবং নিরাপত্তা‑সংক্রান্ত উদ্বেগ এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। গতকাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনকালে একজন গুম হয়েছেন এবং অন্যজনের ভাই গুমের শিকার হয়েছেন, দুজনের এখনও কোনো খবর পাওয়া যায়নি। গুমের বিষয়টি ঢাকার এই অংশে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়ে গেছে। বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি, গুম হওয়া বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন, গুমের শিকার পরিবারগুলোর জন্য “মায়ের ডাক” নামের একটি সংগঠন গড়ে তুলেছেন। তিনি গুমের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের শাসনকালে সক্রিয় প্রতিবাদে অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। জামায়াত-এ-ইসলামি প্রার্থী মীর আহমাদ বিনকাসেম, যাকে ব্যারিস্টার আরমান নামেও বেশি চেনা যায়, নিজে গুমের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মসজিদে মসজিদে ঘুরে দোয়া ও পরামর্শ চাচ্ছেন। তার প্রচারণা ধর্মীয় স্থানকে কেন্দ্র করে গুমের স্মৃতি ও পুনর্বাসনের আহ্বান জানাচ্ছে। প্রচারণার সময় আরমান সমর্থকদের “বোন” বলে সম্বোধন করেন, আর তুলি তার প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মানজনক সুরে সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনীতির বার্তা দেন। দুজন প্রার্থীর এই পারস্পরিক শিষ্টাচার ভোটারদের কাছে মানবিক দিকটি তুলে ধরতে সহায়তা করছে। ফুটবলের জনপ্রিয়তা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দারুস সালাম থানা থেকে প্রাক্তন বিএনপি আহ্বায়ক সাঈদ আবু বকর সিদ্দিক সাজু, দলীয় নির্দেশনা না মানায় ভোটে নামার জন্য বহিষ্কৃত হয়েও এখন নিজের প্রভাব বাড়াতে চেষ্টা করছেন।
ঢাকা-১৪ আসনে গুমের দাবি, ফুটবলের প্রভাব ও ভোটের মূল বিষয়
0
8
৮৫/১০০
১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES



