20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনটাইরা ব্যাংকস স্বীকার করেছেন সীমা অতিক্রম, নেটফ্লিক্সের 'রিয়ালিটি চেক' ডকুমেন্টারি ১৬ ফেব্রুয়ারি...

টাইরা ব্যাংকস স্বীকার করেছেন সীমা অতিক্রম, নেটফ্লিক্সের ‘রিয়ালিটি চেক’ ডকুমেন্টারি ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশে

টাইরা ব্যাংকস এবং সহ-জাজরা নেটফ্লিক্সের নতুন ডকুমেন্টারি “রিয়ালিটি চেক: ইনসাইড আমেরিকা’স নেক্সট টপ মডেল”‑এর প্রথম ট্রেলার প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে শোয়ের বিতর্কিত উত্তরাধিকার সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। ডকুমেন্টারিটি তিনটি অংশে গঠিত এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি নেটফ্লিক্সে স্ট্রিমিং শুরু হবে।

ট্রেলারে টাইরা স্বীকার করেন যে তিনি শোটি পরিচালনা করার সময় সীমা অতিক্রম করেছেন, শোটি তীব্র ছিল এবং দর্শকরা তা চেয়েছিলেন। সহ-হোস্ট নিগেল ব্যার্কার বলেন, শোটি ভুল পথে গিয়েছিল এবং কেউ তা দেখেনি, ফলে তারা ধোঁকা অনুভব করেছে। আর জে ম্যানুয়েল যোগ করেন, টাইরা শোর সাফল্যের জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন।

ট্রেলার একটি দৃশ্যে ম্যানুয়েল প্রতিযোগীদেরকে “আপনার জাতিগত পরিচয় পরিবর্তন করা হবে” বলে জানায়, যা ২০০৫ সালের একটি এপিসোডের দিকে ইঙ্গিত করে যেখানে কিছু প্রতিযোগীকে কালো মুখে রঙ করা হয়েছিল। এই ঘটনা শোয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত মুহূর্তগুলোর একটি হিসেবে স্মরণীয়।

“আমেরিকা’স নেক্সট টপ মডেল” ২০০৪ সালে প্রথম প্রচারিত হয় এবং তরুণ মডেলদের জন্য গ্ল্যামারাস ক্যারিয়ার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সময়ের সাথে শোটি জনপ্রিয় সংস্কৃতির একটি বিশাল অংশে পরিণত হয়, যেখানে নাটকীয় মুহূর্ত, জনসমক্ষে অশান্তি এবং ধারাবাহিক বিতর্ক দেখা যায়।

শোটি বহুবার সমালোচনার মুখে পড়েছে। ২০০৫ সালের কালোফেস এপিসোড, পুরুষ মডেলদের সঙ্গে শারীরিক সংস্পর্শে সম্মতি না নেওয়া, এবং অতিরিক্ত ওজনের মডেলদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ শোয়ের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য। এসব ঘটনা এখনও সামাজিক মিডিয়ায় আলোচনার বিষয় এবং শোয়ের উত্তরাধিকারকে জটিল করে তুলেছে।

ডকুমেন্টারিটি EverWonder Studio এবং Wise Child Studios যৌথভাবে তৈরি করেছে, পরিচালনা করেছেন মোর লুশি এবং ড্যানিয়েল সিভান, যাঁরা “আমেরিকান ম্যানহান্ট: ওসামা বিন লাদেন” প্রকল্পেও কাজ করেছেন। উভয় স্টুডিও শোয়ের ক্যামেরার সামনে ও পেছনের বিশৃঙ্খলা উন্মোচনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

ডকুমেন্টারিটি তিনটি অংশে শোর ইতিহাস, ক্যামেরার পেছনের ঘটনা এবং শোয়ের সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে। শিরোনামটি শোকে “চূড়ান্ত, অবশ্যই দেখা দরকার” এমনভাবে বর্ণনা করে, যা শোয়ের উজ্জ্বল দিক এবং অন্ধকার দিক উভয়ই তুলে ধরতে চায়।

প্রকল্পের মূল প্রশ্ন হল, বিনোদনের জন্য আমরা কতদূর যেতে প্রস্তুত। শোয়ের উজ্জ্বল দিক এবং ত্রুটিগুলো একসাথে উপস্থাপন করে ডকুমেন্টারিটি বর্তমান ভোক্তা সংস্কৃতির সঙ্গে তুলনা করে, দর্শকদেরকে শোয়ের প্রভাব নিয়ে পুনর্বিবেচনা করতে আহ্বান জানায়।

শোয়ের ভক্ত এবং সমালোচক উভয়ই এই ডকুমেন্টারির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে, কারণ এটি দীর্ঘদিনের বিতর্কের নতুন দৃষ্টিকোণ প্রদান করবে। নেটফ্লিক্সে ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকরা এই তিনটি এপিসোডে শোয়ের গৌরব ও ত্রুটিগুলো একসাথে দেখতে পাবেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – TV
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments