অ্যামাজন এমজি এমজি স্টুডিওসের অজানা শিরোনামের নেভি সিল ভিত্তিক চলচ্চিত্রে কোডি স্মিট-ম্যাকফি, স্যাম রেচনার এবং এডেন ইয়ং নতুন মুখ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। ছবিটি প্রাক্তন নেভি সিল মাইক থরnton‑এর বাস্তব কাহিনীর উপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে তিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে শত্রুর দখলে আটকে থাকা পাঁচজন সৈনিককে রক্ষা করার মিশন পরিচালনা করেন।
ফিল্মের দায়িত্বে আছেন পরিচালক প্যাট্রিক হিউজ, যিনি স্ক্রিপ্টে রিচসন, মার্ক সেমোস এবং জেসন হল (অ্যামেরিকান স্নাইপার) যুক্ত করেছেন। প্রকল্পটি ভিয়েতনামের উত্তর অঞ্চলে শত্রু লাইন পেরিয়ে গিয়ে মিশন সম্পন্ন করার সময় থরnton‑কে ১৫০ জন সৈন্যের অনুসরণে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ চীন সাগরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সাঁতার কাটতে হয়, সঙ্গে একটি আহত লেফটেন্যান্ট এবং সহযোদ্ধা বাঁধা থাকে। এই সাহসিকতার জন্য থরnton‑কে কংগ্রেসিয়াল মেডেল অফ অনার প্রদান করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ঘোষিত কাস্টে অ্যালান রিচসন, জো কোলে, হোয়া জুয়ান্ডে, ব্রায়ান ডুং, দুয় ন্গুয়েন এবং কাইল অ্যালেন অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। রিচসন থরnton‑এর ভূমিকায় অভিনয় করবেন, আর নতুন যুক্ত সদস্যরা ছবির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে উপস্থিত হবেন।
কোডি স্মিট-ম্যাকফি, যিনি ‘দ্য পাওয়ার অফ দ্য ডগ’ ছবিতে অস্কার নোমিনেশন এবং গোল্ডেন গ্লোব জয় করেছেন, এখন থরnton‑এর গল্পে অংশ নেবেন। তার পূর্বের কাজের মধ্যে ‘দ্য রোড’, ‘লেট মি ইন’ এবং ‘ডন অফ দ্য প্ল্যানেট অফ দ্য এপস’ উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে ‘মারিয়া’ ছবিতে এবং আলফোনসো কুয়ারনের ‘অ্যাপল’ সীমিত সিরিজ ‘ডিসক্লেইমার’‑এ কাজ করেছেন, পাশাপাশি অস্কার নোমিনেটেড অ্যানিমেটেড ‘মেমোয়ার অফ এ স্নেল’‑এ কণ্ঠ দিয়েছেন।
স্যাম রেচনারের পরিচিতি মূলত স্টিভেন স্পিলবার্গের ‘দ্য ফ্যাবেলম্যান্স’ চলচ্চিত্রে উচ্চ বিদ্যালয়ের বুলির ভূমিকায়, যা সাতটি অস্কার নোমিনেশন অর্জন করেছে। তিনি নেটফ্লিক্সের ‘হার্টব্রেক হাই’ সিরিজে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবং আগামী মাসে মুক্তি পাবে ‘স্ক্রিম ৭’ ছবিতে তার উপস্থিতি।
এডেন ইয়ংও এই প্রকল্পে নতুন চরিত্রে যোগ দিচ্ছেন, যদিও তার পূর্বের কাজের বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশিত হয়নি। তার অংশগ্রহণ ছবির কাস্টকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলবে।
প্রযোজক দলে রয়েছে সিলভেস্টার স্ট্যালোনের বালবোয়া প্রোডাকশন, ডি. ম্যাট গেলার, টড লিবারম্যান ও অ্যালেক্স ইয়ং (হিডেন পিকচার্স), রিচসনের আলি ক্যাট এন্টারটেইনমেন্ট এবং অ্যালান রাউটবোর্ট। এই সমন্বয় চলচ্চিত্রের উৎপাদনে শক্তিশালী সমর্থন নিশ্চিত করে।
চিত্রনাট্যটি থরnton‑এর বীরত্বপূর্ণ কাজকে কেন্দ্র করে, যেখানে তিনি শত্রু সৈন্যদের তাড়া থেকে বেঁচে থাকা পাঁচজনকে উদ্ধার করেন এবং বিপদজনক সমুদ্রপথে দীর্ঘ সময় সাঁতার কাটেন। এই ঘটনাগুলি তার কংগ্রেসিয়াল মেডেল অফ অনার অর্জনের মূল কারণ হিসেবে স্বীকৃত।
প্রকল্পের সময়সূচি এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে অ্যান্টার্কটিকের মতো কঠিন শুটিং লোকেশন এবং ঐতিহাসিক পটভূমি বিবেচনা করে শীঘ্রই প্রস্তুতি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলচ্চিত্রটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ের বাস্তবিক চিত্র তুলে ধরবে এবং বীরত্বের গল্পকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করবে।
এই নতুন কাস্টের যোগদানের ফলে ছবির প্রত্যাশা বাড়ছে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃত অভিনেতাদের সমন্বয়ে। দর্শকরা থরnton‑এর বীরত্বের গল্প এবং তার সঙ্গে যুক্ত চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ককে দেখতে পাবেন।
চলচ্চিত্রটি শেষ পর্যন্ত কোন শিরোনাম পাবে এবং মুক্তির তারিখ কী হবে তা এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে অ্যান্টার্কটিকের মতো ঐতিহাসিক ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়ায় এটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



