শারন লিসের পরিচালিত ‘সিজড’ ডকুমেন্টারি, ২০২৩ সালে ক্যানসাসের মারিয়ন কাউন্টি রেকর্ড সংবাদপত্রের ওপর পুলিশি আক্রমণ এবং তার পরিণতি নিয়ে তৈরি, সানড্যান্স ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ইউ.এস. ডকুমেন্টারি প্রতিযোগিতায় প্রথমবার প্রদর্শিত হয়েছে। লিস পূর্বে ‘দ্য ফ্ল্যাগমেকার্স’ নামে একটি পুরস্কারপ্রাপ্ত ডকুমেন্টারির মাধ্যমে সামাজিক বিষয়গুলোকে সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরার দক্ষতা দেখিয়েছেন। এই কাজটি প্রেসের স্বাধীনতা সংক্রান্ত মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে, যা দর্শকদের মধ্যে তীব্র আলোচনার সূচনা করে।
ডকুমেন্টারির দৈর্ঘ্য প্রায় এক ঘণ্টা তেইশ মিনিট, এবং এটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হওয়ায় স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে উচ্চ প্রশংসা অর্জন করেছে। সানড্যান্সের বিচারকমণ্ডলী এটিকে ‘মৌলিক মানবাধিকার রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহনকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মারিয়ন কাউন্টি রেকর্ড একটি প্রজন্মের পর প্রজন্মে চালু থাকা পারিবারিক সংবাদপত্র, যার ৯৮ বছর বয়সী সহ-মালিকের মৃত্যু আক্রমণের পরপরই ঘটেছিল; তিনি বর্তমান সম্পাদক ও প্রকাশকের মা ছিলেন। ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পত্রিকাটি স্থানীয় সরকার, স্কুল বোর্ড ও বিচারিক কার্যক্রমের তদারকি করে, এবং গ্রাম্য জনগণের কণ্ঠস্বরকে বৃহত্তর মিডিয়ায় পৌঁছে দেয়। এর স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর ও স্বাধীন রিপোর্টিং ঐ অঞ্চলের নাগরিকদের জন্য তথ্যের প্রধান উৎস



