পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) আগামী শুক্রবার ট২০ বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করবে, তবে বয়কটের সম্ভাবনা কম বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। এই ঘোষণার আগে বোর্ডের পক্ষ থেকে বয়কটের হুমকি বহুবার শোনা গিয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচিতে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল।
বয়কটের মূল কারণ ছিল ভারত‑পাকিস্তান সম্পর্কের উত্তেজনা, যা সাম্প্রতিক ক্রীড়া ও রাজনৈতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তীব্রতর হয়ে উঠেছিল। PCB পূর্বে উল্লেখ করেছিল যে, যদি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয় তবে তারা ভারত এ‑এর সঙ্গে নির্ধারিত ম্যাচটি খেলতে অস্বীকার করতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ট২০ বিশ্বকাপের শিডিউলে ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান ও ভারত এ‑এর মুখোমুখি ম্যাচ নির্ধারিত রয়েছে, যা টুর্নামেন্টের শীর্ষ আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত। উভয় দলের ভক্তদের জন্য এই ম্যাচটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে, এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) এটিকে টুর্নামেন্টের মূল আকর্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
PCB এর সর্বশেষ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সিদ্ধান্ত শুক্রবারের মধ্যে জানানো হবে এবং দলটি ম্যাচটি খেলতে পারে এমন সম্ভাবনা রয়েছে। বোর্ডের মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন যে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে নিশ্চিত হলে কোনো বাধা থাকবে না। তাই বয়কটের সম্ভাবনা বর্তমানে কম বলে অনুমান করা হচ্ছে।
যদি বয়কটের দিকে ঝোঁক থাকে, তবে ম্যাচটি ফরফেটের মুখে পড়তে পারে, যা টুর্নামেন্টের সূচি ও পয়েন্ট টেবিলে প্রভাব ফেলবে। তবে ফরফেটের সিদ্ধান্ত ICC এর অনুমোদন ছাড়া নেওয়া যাবে না, এবং তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ফরফেটের সম্ভাবনা কম বলে বোঝা যাচ্ছে।
ICC এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থাগুলি টুর্নামেন্টের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করার জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ দূর করতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। এই সমন্বয় টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোও শিডিউল অনুযায়ী চলবে, যেখানে পাকিস্তান দল অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে। পরবর্তী ম্যাচগুলোতে দলটির পারফরম্যান্স এবং কৌশলগত পরিকল্পনা বিশেষ দৃষ্টিতে দেখা হবে। টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে দলটির অবস্থান নির্ধারণে এই ম্যাচগুলো গুরুত্বপূর্ণ হবে।
সারসংক্ষেপে, PCB শুক্রবারের ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে এবং বয়কটের ঝুঁকি বর্তমানে কম বলে ধারণা করা হচ্ছে। টুর্নামেন্টের সূচি বজায় থাকবে এবং ভারত এ‑এর সঙ্গে নির্ধারিত ম্যাচটি সম্ভবত নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য সকল পক্ষই সমন্বিতভাবে কাজ করছে।



