20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধসৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে চার দিনের রিমান্ড, সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন

সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে চার দিনের রিমান্ড, সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ দুদকের বিরুদ্ধে দায়ের মামলায় রিমান্ড আদেশের পর, অভিযুক্তের পুত্র সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম আদালতে উপস্থিত হয়ে ৩৫ লাখ টাকার সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সিয়ামকে গ্রেপ্তার সম্পর্কে দুদক মঙ্গলবার জানায়, এবং একই সন্ধ্যায় তাকে আদালতে হাজির করে জেলায় আটক রাখার আবেদন দাখিল করে তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন। আদালত আবেদন গ্রহণ করে তাকে জেলায় পাঠানোর আদেশ দেয়।

পরের দিন, বৃহস্পতিবার, সিয়ামের পক্ষে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন দাখিল করা হয়। আদালত পরবর্তী সপ্তাহের সোমবার রিমান্ড শোনার তারিখ নির্ধারণ করে, এবং শোনার সময় বেলা ১২ টার দিকে রিমান্ড আবেদন শোনা শুরু হয়।

সিয়ামের আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম সজীব রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন এবং জামিনের অনুরোধ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে দুদক ২৭(১) ধারায় একই অপরাধে একাধিক অভিযোগ দায়ের করেছে এবং এক মাস আগে একই বিষয়ের ওপর ৩৫ লাখ টাকার অজানা আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে। তৌহিদুল সজীব রিমান্ডের যৌক্তিকতা না থাকায় তা বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।

ডুডক পক্ষের আইনজীবী কৌঁসুলি মীর আহমেদ আলী সালাম রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, সিয়াম তার নামে বিভিন্ন খাত থেকে প্রচুর টাকা পেয়েছেন এবং অজানা আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে তার সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছে, তাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদে রিমান্ড মঞ্জুরের প্রয়োজন।

উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার পর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। রিমান্ডের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরে, সিয়ামকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে গিয়ে ৩:৪৩ মিনিটে প্রিজনভ্যানে তোলা হয়।

প্রিজনভ্যানে তোলার পর সিয়াম সাংবাদিকদের সামনে বলেন, “৩৫ লাখ টাকা সম্পত্তি বাপ আমাকে দিয়েছে। একটা গাড়ি, একটা জায়গা। ৮ লাখ টাকার জায়গা আর ২৫ লাখ টাকার গাড়ি। আমি কি কামাইছি? বাপ আমাকে দিয়েছে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার বাবার রিমান্ড চলমান থাকায় তিনি আদালতে গিয়ে চার্জশিট পেয়েছেন এবং নিজের কোনো দুর্নীতি নেই।

সিয়াম আরও বলেন, “এটার জন্য আমি কীভাবে দুদকের মামলার অন্তর্ভুক্ত হলাম? আমার বাবা যদি কোনো অন্যায় করে, তার বিচার হবে, আমার সমস্যা নেই।” তিনি তার বাবার রিমান্ডের সঙ্গে নিজের সম্পত্তি সংযুক্ত করার প্রশ্ন তুলে আদালতকে ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

ডুডক মামলায় রিমান্ডের মূল কারণ হল ২৭(১) ধারায় অজানা আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ, যেখানে সিয়ামের বাবার সম্পত্তি ৩৫ লাখ টাকার বেশি বলে দাবি করা হয়েছে। সিয়াম দাবি করেন, এই সম্পত্তি তার বাবারই উপহার এবং তিনি কোনো অবৈধ লেনদেনে জড়িত নন।

আদালতের রেকর্ডে দেখা যায়, রিমান্ড শোনার সময় উভয় পক্ষের আইনজীবী যথাযথভাবে তাদের যুক্তি উপস্থাপন করেছেন এবং রেকর্ডে রিমান্ডের যৌক্তিকতা নিয়ে বিতর্ক স্পষ্ট হয়েছে। রিমান্ডের আদেশের পর সিয়ামকে জেলায় স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তিনি অতিরিক্ত জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতে পারেন।

এই মামলায় রিমান্ডের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সিয়ামের জামিনের আবেদন এখনও বিচারাধীন। আদালত রিমান্ডের সময়সীমা শেষে তার জেলায় অবস্থান এবং পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্য অতিরিক্ত শোনার তারিখ নির্ধারণ করতে পারে।

ডুডক মামলার পরবর্তী পর্যায়ে রিমান্ডের ফলাফল এবং সিয়ামের জামিনের সম্ভাবনা বিচারিক রেকর্ডে আপডেট হবে, যা জনসাধারণের নজরে থাকবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments