28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাবেনাপোল স্থলবন্দরে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের কারণে আমদানি‑রপ্তানি বন্ধ

বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের কারণে আমদানি‑রপ্তানি বন্ধ

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আজ (সোমবার) ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের উপলক্ষে সীমান্ত পারাপার পণ্যবাণিজ্য সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সরকারী ছুটির কারণে দুই দেশের ব্যবসায়িক সংস্থা গুলো এই দিনটি সম্পূর্ণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম, গুদাম ও সেবা কেন্দ্রগুলো স্বাভাবিকভাবে চলমান রয়েছে।

বন্দরের পরিচালনা বিভাগে জানানো হয়েছে যে, এই বন্ধের সময়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের প্রবেশ-প্রস্থান কোনো বাধা ছাড়াই চলবে। ইমিগ্রেশন ও সিকিউরিটি চেকপয়েন্টে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান অব্যাহত থাকবে, ফলে ব্যক্তিগত ভ্রমণ ও বাণিজ্যিক সফর উভয়ই স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে।

বন্দরের ট্রাফিক পরিচালক শামিম হোসেন উল্লেখ করেন, “ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের জন্য দেশজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, ফলে বাণিজ্যিক গতি ধীর হয়ে আজকের জন্য আমদানি‑রপ্তানি বন্ধ রাখা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্তটি উভয় দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে এবং কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।

শামিম হোসেনের মতে, বন্ধের পরের দিন (মঙ্গলবার) থেকে আবার পণ্যবাণিজ্য পুনরায় শুরু হবে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, বন্দরের অভ্যন্তরীণ সিস্টেম ও লজিস্টিক্স প্রস্তুত থাকবে, ফলে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে দ্রুত পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে। এই পুনরায় শুরুতে ট্রাক, কন্টেইনার ও রেলগাড়ির প্রবাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

ইমিগ্রেশন ও সিকিউরিটি চেকপয়েন্টের প্রধান কর্মকর্তা শাওয়াত হোসেন জানান, “চেকপয়েন্টে পণ্যবাণিজ্য বন্ধ থাকলেও, ভারত থেকে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রীদের প্রবেশ স্বাভাবিকভাবে চলবে।” তিনি যোগ করেন, সীমান্ত পারাপার নিরাপত্তা ও সেবার মান বজায় রাখতে সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

দিবসের মর্যাদা বাড়াতে, বেনাপোল পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক চেকপয়েন্টে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি সীমান্তে উভয় দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং স্থানীয় কর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।

বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই একদিনের বন্ধের প্রভাব সীমান্ত পারাপার পণ্যের সরবরাহ শৃঙ্খলে সাময়িক ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। বেনাপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করা গম, চিনি, তেল এবং ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিমাণে সামান্য হ্রাস দেখা যাবে, যদিও বড় পরিমাণের পণ্য সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কমই হবে।

লজিস্টিক্স কোম্পানি ও ট্রাকিং ফার্মগুলো এই বন্ধের ফলে একদিনের কাজের ক্ষতি স্বীকার করেছে, তবে তারা দ্রুত পুনরায় চালু হওয়ার জন্য অতিরিক্ত ড্রাইভার ও গাড়ি প্রস্তুত রাখছে। বাজারে তাত্ক্ষণিক মূল্য পরিবর্তন সীমিত, তবে কিছু পণ্যের জন্য অল্প সময়ের জন্য স্টক কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভবিষ্যতে একই ধরনের সরকারি ছুটির কারণে সীমান্তে বাণিজ্যিক বন্ধের ঝুঁকি রয়েছে। ব্যবসায়িক সংস্থা গুলোকে এই ধরনের ছুটির পূর্বে স্টক পরিকল্পনা ও বিকল্প রুট বিবেচনা করা উচিত, যাতে সরবরাহ শৃঙ্খলের অস্থিরতা কমে। এছাড়া, সরকারী সংস্থা ও বাণিজ্যিক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় বাড়িয়ে ছুটির সময়সূচি ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সমন্বয় করা যেতে পারে।

সংক্ষেপে, বেনাপোল স্থলবন্দরে আজকের বন্ধের মূল কারণ ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের সরকারি ছুটি, তবে অভ্যন্তরীণ সেবা ও পাসপোর্টধারী যাত্রা স্বাভাবিক। বন্ধের পরের দিন থেকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে, ফলে দীর্ঘমেয়াদী বাজারে বড় প্রভাবের সম্ভাবনা কম। ব্যবসায়িক সংস্থা গুলোকে ভবিষ্যতে অনুরূপ ছুটির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া এবং লজিস্টিক্স পরিকল্পনা শক্তিশালী করা জরুরি।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments