22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাসিঙ্গাপুর ডলার মার্কিন ডলারের বিপরীতে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে

সিঙ্গাপুর ডলার মার্কিন ডলারের বিপরীতে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে

সিঙ্গাপুর ডলার ২০১৪ সালের অক্টোবরের পর সর্বোচ্চ মানে পৌঁছেছে, যখন মার্কিন ডলার জাপানের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ ও যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ইঙ্গিতের মুখে চাপের শিকার হচ্ছে। এই পরিবর্তনটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং এশীয় মুদ্রা বাজারের গতিবিধি পুনর্গঠন করছে।

সিঙ্গাপুরের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিগত অবস্থান অপরিবর্তিত রাখবে বলে বাজারে ধারণা গড়ে উঠার সঙ্গে সঙ্গে সিঙ্গাপুর ডলার শক্তিশালী হয়েছে। এই প্রত্যাশা মুদ্রার বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা নীতির ধারাবাহিকতা এবং দেশীয় আর্থিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত।

জাপানের সম্ভাব্য মুদ্রা হস্তক্ষেপের খবর এবং যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ইঙ্গিতের ফলে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ বাড়ছে। এই দুই দেশের নীতি সংকেত মুদ্রা বাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টির পাশাপাশি ডলারের মান হ্রাসের দিকে নিয়ে গেছে।

বাজারের তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুর ডলার ০.৩ শতাংশ শক্তিশালী হয়ে প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১.২৬৮৪ সিঙ্গাপুর ডলারে স্থিত হয়েছে। এই পরিবর্তনটি এক সপ্তাহের মধ্যে ঘটেছে এবং মুদ্রা জোড়ার গতিবিধিতে স্পষ্ট উত্থান নির্দেশ করে।

গত ২৩ জানুয়ারি নিউইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার পর্যালোচনা শেষে মার্কিন ডলার দুর্বল হতে শুরু করে। একই সময়ে, জাপানি ইয়েনের মূল্য প্রায় ১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, যা এশীয় মুদ্রার সামগ্রিক শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।

মার্কিন ডলারের এই দুর্বলতা অন্যান্য এশীয় মুদ্রার জন্যও সুবিধাজনক হয়েছে। বিশেষ করে, মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ মানে পৌঁছেছে, যা অঞ্চলের মুদ্রা বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা নির্দেশ করে।

সিঙ্গাপুরের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার পরিবর্তনের পরিবর্তে মুদ্রা বিনিময় হার ব্যবস্থাপনায় বেশি গুরুত্ব দেয়। এই নীতি পদ্ধতি দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা জোরদার করতে সহায়তা করে।

দেশের শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক বৃদ্ধি, সরকারি বন্ডের স্থিতিশীল রিটার্ন এবং নীতির পূর্বানুমানযোগ্যতা বিদেশি মূলধনের প্রবাহ বাড়িয়ে তুলেছে। এই সব উপাদান একত্রে সিঙ্গাপুর ডলারের শক্তিশালী অবস্থানে অবদান রেখেছে।

গত বারো মাসে সিঙ্গাপুর ডলার মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রায় ৬ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মুদ্রা বাজারে সিঙ্গাপুরের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং ভবিষ্যতে বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়াতে পারে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, যদি ফেডারেল রিজার্ভের নীতি পরিবর্তন না হয় এবং জাপানের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা অব্যাহত থাকে, তবে সিঙ্গাপুর ডলার অতিরিক্ত শক্তি অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং সুদের হার নীতির অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন মুদ্রা বাজারে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা এবং মুদ্রা বাজারের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments