20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাইম্পোর্ট বৃদ্ধি রমজানে খাবারের দাম স্থিতিশীল রাখার আশা জাগিয়েছে

ইম্পোর্ট বৃদ্ধি রমজানে খাবারের দাম স্থিতিশীল রাখার আশা জাগিয়েছে

রমজান মাসের তৃতীয় সপ্তাহে সূচনা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাল, তেল, চনা, পেঁয়াজ, আদা, খেজুর ও চিনি ইত্যাদি মৌলিক পণ্যের চাহিদা বাড়ে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মোট ২৬.৬৪ লাখ টন খাবার পণ্য আমদানি করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের ২৫.৬ লাখ টনের তুলনায় ১.০৪ লাখ টন (৪.১%) বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই পরিসংখ্যানের মধ্যে সমুদ্র ও সড়ক বন্দর থেকে ক্লিয়ার করা পণ্য অন্তর্ভুক্ত, এবং রমজান পূর্বে আরও কিছু কনসাইনমেন্ট আমদানি পাইপলাইনে রয়েছে যা শীঘ্রই দেশে পৌঁছানোর প্রত্যাশা। ডাল, তেল, চনা, পেঁয়াজ, আদা, খেজুর ও চিনি ইত্যাদি পণ্যের আমদানি বৃদ্ধি বাজারে সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

মেগনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের হিসাব বিভাগ প্রধান এস.এম. মুজিবুর রহমান জানান, কোম্পানি সয়াবিন তেল ও গমের পর্যাপ্ত স্টক বজায় রেখেছে এবং নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, মেগনা গ্রুপের আমদানি প্রক্রিয়ায় কোনো ঘাটতি দেখা দেয়নি এবং রমজান মাসে কোনো ঘাটতি না হওয়ার আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

হোলসেল ও রিটেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রমজানের আগে বেশিরভাগ মৌলিক পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সরবরাহের অবস্থা বজায় থাকলে কিছু পণ্যের দাম আরও কমতে পারে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বাজারে ভোক্তাদের জন্য স্বস্তি বোধ করা যায়।

ট্রেডিং কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশ (TCB) কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে সয়াবিন তেল, পাম তেল, পেঁয়াজ ও হলুদ মূল্যের হ্রাস দেখা গেছে, অন্যদিকে বেশিরভাগ পণ্য স্থিতিশীল দামের রেখা বজায় রেখেছে। এই প্রবণতা সরবরাহ শৃঙ্খলের স্বাভাবিক কার্যকারিতা নির্দেশ করে।

ঢাকার করবান বাজারের অন্যতম বড় রিটেইলার মোহাম্মদ বাবলু জানান, রমজানের প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম তিন মাস আগে তুলনায় কমেছে। চনা, যা আগে টাকার ১১০ দামে বিক্রি হতো, এখন ৮০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে। চিনি টাকার ১০৫ থেকে কমে ৯৫ টা হয়েছে, আর ডালের দাম ১০০‑১১০ টাকার থেকে ৮০‑৮৫ টায় নেমে এসেছে।

এই মূল্যহ্রাস ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে এবং রমজানের সময় বাজারে সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করবে। তবে আমদানি পাইপলাইনে কোনো ধীরগতি বা কাস্টমসের দেরি হলে সরবরাহে অস্থায়ী ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যা দামের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আমদানি তথ্য এবং মেগনা গ্রুপের স্টক পরিস্থিতি রমজান মাসে খাবারের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য ইতিবাচক সূচক প্রদান করছে। বাজারে সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভোক্তারা মূল্যের হ্রাস বা স্থিতিশীলতা উপভোগ করতে পারবেন, যা বিশেষত নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

অবশিষ্ট কনসাইনমেন্টের সময়মত গম, তেল ও ডালের সরবরাহ নিশ্চিত হলে, রমজান মাসে বাজারে কোনো বড় ধাক্কা না পড়ে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে আশা করা যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments