তরিক রহমান, বিএনপি’র রাজশাহী সদর আসনের প্রার্থী, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, দুপুর ১২ঃ৩০ টায় হাজী মোহাম্মদ মহসিন সরকারি বিদ্যালয় মাঠে (ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দান) একটি সমাবেশে ভাষণ দেবেন। মূলত ২৮ জানুয়ারি (বুধবার) নির্ধারিত এই ইভেন্টটি, দলীয় চেয়ারম্যানের বিমান টিকিট না পাওয়ার কারণে এক দিন পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিএনপি’র রাজশাহী সদর আসনের প্রার্থী ও সাবেক চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান (মিনু) এই পরিবর্তন নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সমাবেশের তারিখ পরিবর্তনের তথ্য বিকালেই টেলিফোনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান তরিক রহমান থেকে জানানো হয়।
মিনু উল্লেখ করেন, টিকিটের অভাবই একমাত্র কারণ; অন্য কোনো নিরাপত্তা বা লজিস্টিক সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নতুন নির্ধারিত তারিখে সমাবেশ পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।
সমাবেশের স্থান হিসেবে হাজী মোহাম্মদ মহসিন সরকারি বিদ্যালয়ের মাঠ নির্বাচিত হয়েছে, যা ঐতিহাসিকভাবে বড় রাজনৈতিক সমাবেশের আয়োজক হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়ভাবে এটিকে “মাদ্রাসা ময়দান” বলা হয়।
আয়োজকরা আশা করছেন, রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোট তেরটি নির্বাচনী এলাকার ভোটার ও সমর্থকরা এই সমাবেশে উপস্থিত হবেন। স্থানীয় দলীয় কর্মীরা পরিবহন ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করেছে।
শুক্রবার রাতের দিকে, মিনুর বাড়িতে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সমাবেশকে বর্তমান নির্বাচনী চক্রের “সর্বকালের বৃহৎ ও ঐতিহাসিক” ইভেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং তারেকের ভাষণের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা সম্মত হন, সমাবেশের মাধ্যমে তরিক রহমান উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও পার্টির নীতি তুলে ধরবেন, যদিও নির্দিষ্ট নীতি বিষয়গুলো এখনও প্রকাশিত হয়নি।
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানুয়ারির শুরুর পর থেকে উত্তরাঞ্চলে ক্যাম্পেইন তীব্র করেছে, যাতে নির্বাচনের আগে সমর্থন জোরদার করা যায়। তরিকের বুধবারের রাজশাহী আগমন, এই ক্যাম্পেইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
বিপক্ষের দল, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ, এখনো এই তারিখ পরিবর্তন সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি, তবে স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করেন, এই পরিবর্তন পার্শ্ববর্তী নির্বাচনী এলাকায় সমান্তরাল ক্যাম্পেইন কার্যক্রমের সময়সূচিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
বৃহত্তর নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য রাজশাহী জেলা পুলিশ ও পার্টির স্বেচ্ছাসেবক দল সমন্বয় করে কাজ করবে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ভিড় ব্যবস্থাপনা এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট পুলিশ উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
দুপুর ১২ঃ৩০ টার সময়সূচি, অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী মধ্যাহ্ন সমাবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা গ্রাম ও শহরের কৃষক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, যদি সমাবেশে বড় ভিড় জমায়েত হয়, তবে তা তরিকের নির্বাচনী দৃশ্যমানতা বাড়িয়ে তুলবে এবং তেরটি লক্ষ্যমাত্রা নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে। এই সমাবেশের ফলাফল পরবর্তী ক্যাম্পেইন রাউ



