22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনজামিলা জামিলের গোপন টেক্সটে ব্লেক লাইভলি কে 'সুইসাইড বোম্বার' বলা

জামিলা জামিলের গোপন টেক্সটে ব্লেক লাইভলি কে ‘সুইসাইড বোম্বার’ বলা

হলিউডের অভিনেত্রী জামিলা জামিলের গোপন টেক্সট বার্তাগুলো আদালতের অপ্রকাশিত নথিতে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে তিনি ব্লেক লাইভলিকে “সুইসাইড বোম্বার” এবং “খলনায়ক” বলে উল্লেখ করেছেন। এই টেক্সটগুলো লিগ্যাল লড়াইয়ের অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়, যা ব্লেক লাইভলি ও জাস্টিন বালডোনির মধ্যে চলমান মামলার সঙ্গে যুক্ত। টেক্সটগুলো আগস্ট ২০২৪-এ পাঠানো হয় এবং টিকটক ভিডিওর প্রতি প্রতিক্রিয়া হিসেবে লেখা হয়।

টেক্সটগুলোতে জামিলের বার্তা পাঠানো হয়েছেন জেনিফার এবেলকে, যিনি জামিল ও বালডোনি উভয়েরই পাবলিসিস্ট। ভিডিওটি লাইভলির “ইট এন্ডস উইথ আস” চলচ্চিত্রের প্রচার সফরে করা মন্তব্যের ওপর সমালোচনা করছিল, যেখানে তিনি গৃহহিংসা বিষয়কে যথেষ্ট গম্ভীরভাবে না নেওয়ার অভিযোগে সমালোচিত হয়েছিলেন। সেই সমালোচনার পর জামিলের প্রতিক্রিয়া ছিল, “এখন তিনি এক ধরনের সুইসাইড বোম্বারের মতো হয়ে গেছেন” এবং “এমন অদ্ভুত খলনায়কীয় আচরণ আগে কখনো দেখিনি”।

ব্লেক লাইভলি ও জাস্টিন বালডোনির আইনি বিরোধের মূল কারণ হল, ডিসেম্বর ২০২৪-এ লাইভলি বালডোনি ও তার প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন যে বালডোনি ও তার দল একটি “সামাজিক প্রভাব” ক্যাম্পেইন চালিয়ে তার পেশাগত সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করেছে। এই মামলায় উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অভিযোগ তুলছে, এবং টেক্সটগুলো এই প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত হয়েছে।

জামিলা জামিলের টেক্সটগুলো প্রকাশের আগে তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ভিডিও শেয়ার করে নিজের মতামত স্পষ্ট করেন। সেই ভিডিওতে তিনি জোর দিয়ে বলেন, নারীবাদী হওয়া মানে অন্য নারীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মতবিরোধের অনুমতি না থাকা নয়। তিনি নিজের ফেমিনিস্ট দৃষ্টিভঙ্গি রক্ষা করার পাশাপাশি এই বিষয়টি আলোকপাত করেন যে, ব্যক্তিগত মতপার্থক্য স্বাভাবিক।

পরবর্তীতে জামিল টিকটক প্ল্যাটফর্মে আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে তিনি টেক্সটগুলো নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, “সময়সূচি গুরুত্বপূর্ণ, তাই আমি কিছু বিষয় পরিষ্কার করতে চাই” এবং টেক্সটগুলো প্রকাশের সময়ের অস্বাভাবিকতা উল্লেখ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, গোপন টেক্সটগুলো প্রায় এক বছর ও ছয় মাস আগে লেখা হয়েছিল, এবং এখন হঠাৎ করে প্রকাশিত হওয়া তাকে অস্বস্তিকর করে তুলেছে।

জামিল আরও জানান, তার নাম স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়েছে যাতে তিনি অতিরিক্ত সমস্যার মুখোমুখি হন। তিনি দাবি করেন যে, এই টেক্সটগুলো মামলার মূল বিষয়ের সঙ্গে কোনো সংযোগ রাখে না এবং সেগুলো কেবল ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের একটি অংশ।

মামলাটি যখন শুরু হয়, তখন লাইভলি ও বালডোনির মধ্যে তীব্র বিতর্কের সূচনা হয়, যা শিল্পের বিভিন্ন স্তরে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। “ইট এন্ডস উইথ আস” ছবির প্রচারকালে গৃহহিংসা বিষয়ের সংবেদনশীলতা নিয়ে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ পায়, এবং এই বিতর্কের ফলে সামাজিক মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা হয়।

টেক্সটগুলো প্রকাশের পর মিডিয়া ও সামাজিক নেটওয়ার্কে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কিছু মন্তব্যকারী টেক্সটের ভাষাকে অপ্রয়োজনীয় ও আক্রমণাত্মক বলে সমালোচনা করেন, অন্যদিকে কিছু লোক জামিলের স্বতঃস্ফূর্ত মন্তব্যকে ব্যক্তিগত মতবিরোধের স্বাভাবিক প্রকাশ হিসেবে স্বীকার করেন।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, অপ্রকাশিত নথি প্রকাশের ফলে মামলার প্রক্রিয়ায় নতুন দিক যোগ হতে পারে। আদালত এখন টেক্সটগুলোকে প্রমাণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করবে এবং তা মামলার মূল দাবির সঙ্গে কীভাবে সংযুক্ত হয় তা নির্ধারণ করবে।

ব্লেক লাইভলির পক্ষে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি, তবে তার আইনজীবী দল ইতিমধ্যে টেক্সটগুলোকে মামলার বাইরে রাখার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে, জাস্টিন বালডোনির প্রতিনিধিরাও টেক্সটগুলোকে ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে বিবেচনা করে, মামলার মূল বিষয় থেকে আলাদা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই ঘটনার পর শিল্পের অভ্যন্তরে যোগাযোগের গোপনীয়তা ও সামাজিক মিডিয়ার প্রভাব নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে, গোপন টেক্সটের প্রকাশের ফলে ব্যক্তিগত মতামত কীভাবে পাবলিক ডোমেইনে রূপান্তরিত হয়, তা নিয়ে বিশ্লেষণ বাড়ছে।

বিভিন্ন বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন যে, এই ধরনের প্রকাশনা শিল্পের অভ্যন্তরে ক্ষমতার গতি ও সম্পর্কের জটিলতা প্রকাশের একটি উদাহরণ। গোপন কথোপকথন যখন আদালতে উঠে আসে, তখন তা কেবল আইনি প্রক্রিয়ার অংশ নয়, বরং শিল্পের নৈতিক মানদণ্ডের পুনর্মূল্যায়নের সূচকও হতে পারে।

মামলার পরবর্তী ধাপগুলো এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে উভয় পক্ষই তাদের নিজস্ব কৌশল অনুসরণ করে চলেছে। আদালতের রায়ের অপেক্ষা চলতে থাকায়, এই বিষয়টি মিডিয়া ও জনমত উভয়েরই দৃষ্টি আকর্ষণ করে রাখবে। ভবিষ্যতে টেক্সটের বিষয়বস্তু কীভাবে বিচারিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই প্রকাশ করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments