টাইন্সক্যাসলে অনুষ্ঠিত স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপের ম্যাচে হার্টস ও কেল্টিক ২-২ সমতা বজায় রাখে, যখন রেঞ্জার্স ডানডি দলের ওপর ৩-০ বড় জয় অর্জন করে শিরোপা শীর্ষে চার পয়েন্টের ফাঁক কমিয়ে দেয়।
হার্টসের ঘরে কেল্টিকের আক্রমণকে দুইবার সমান করতে সক্ষম হলেও, শেষ ২১ মিনিটে ১০ জন খেলোয়াড়ে খেলতে বাধ্য হওয়ায় তারা অতিরিক্ত গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। কেল্টিকের বেনজামিন নাইগ্রেনের ফ্রি-কিক এবং ইয়াং হ্যুং-জুনের দ্রুত কনট্রা-আক্রমণই তাদের একমাত্র গোলের কারণ।
মার্টিন ও’নিলের অধীনে কেল্টিকের পারফরম্যান্স মাঝে মাঝে উজ্জ্বল হলেও, সেট-পিসে দুর্বলতা প্রকাশ পায়। স্টুয়ার্ট ফিন্ডলে এবং ক্লাউডিও ব্রাগা দুজনেই গুরুত্বপূর্ণ গোল করে দলকে সমান করতে সাহায্য করে।
হার্টসের প্রথম গোলটি অস্টন ট্রাস্টির রেড কার্ডের আগে আসে, তবে ট্রাস্টি ২০ মিনিট পরে দু’জনেরই গেমে বাদ পড়ে। তার পরের সময়ে হার্টসের ব্লেয়ার স্পিটাল ৯৭তম মিনিটে শটটি ক্রসবারের উপরে আঘাত করে, যা সম্ভবত ম্যাচের ফলাফল বদলে দিতে পারত।
হার্টসের কোচ ম্যাচের পর মন্তব্যে জানান, দু’বার পিছিয়ে থেকে ফিরে আসা সহজ নয়, তবে দল এখনও আরও ভালো পারফরম্যান্সের সম্ভাবনা রাখে। তিনি দলের পরিবর্তিত মনোভাবকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন, যদিও ড্রয়িং রুমে কিছুটা হতাশা দেখা যায়।
অন্যদিকে রেঞ্জার্সের জয় ডানডি দলের ওপর ৩-০ স্কোরে শেষ হয়। জেমস টাভার্নিয়ার দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেয়। ড্যানিলো এবং ডেজিদি গাসামা অতিরিক্ত সময়ে অতিরিক্ত দুই গোল যোগ করে রেঞ্জার্সের আট ধারাবাহিক জয় নিশ্চিত করে।
রেঞ্জার্সের কোচ ড্যানি রোল ম্যাচের পর আনন্দ প্রকাশ করেন, দলটি একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি সিজনের দ্বিতীয়ার্ধে আরও উন্নতি করার প্রত্যাশা প্রকাশ করে বলেন, শিরোপা লড়াই এখনো দীর্ঘ এবং চ্যালেঞ্জে পূর্ণ।
এই ফলাফলের পর রেঞ্জার্স শিরোপা শীর্ষের হার্টসের কাছাকাছি এসে, গ্লাসগো রাইভাল কেল্টিককে পেছনে ফেলেছে। এখন শিরোপা দৌড়ে তিনটি দলই কাছাকাছি, এবং পরের ম্যাচগুলোতে পয়েন্ট সংগ্রহের জন্য প্রতিটি দলই তীব্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে।
আসন্ন সপ্তাহে হার্টসের পরবর্তী প্রতিপক্ষ এবং রেঞ্জার্সের পরবর্তী সূচি এখনও নির্ধারিত, তবে উভয় দলই শিরোপা শিরোপা জয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের সন্ধানে থাকবে।



