28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের চৌদ্দগ্রাম সমাবেশে দলীয় পরিকল্পনা ও বিরোধী দলের সমালোচনা

বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের চৌদ্দগ্রাম সমাবেশে দলীয় পরিকল্পনা ও বিরোধী দলের সমালোচনা

বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান রবিবার রাত কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম সদর দফতরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে উপস্থিত হয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও পার্টির নির্বাচনী পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সমাবেশটি এইচ জে সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং তারেকের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল কিছু রাজনৈতিক দল জনগণকে ধোঁকা দিতে চায় বলে তার সমালোচনা।

সমাবেশের সূচি অনুযায়ী তারেক রহমান বিকেল পাঁচটায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল, তবে তিনি রাত আটটায় বিশ মিনিটে পৌঁছান। দেরি সত্ত্বেও তিনি ভিড়ের স্বাগত পেয়ে দ্রুত মঞ্চে উঠে তার বক্তব্য শুরু করেন।

মঞ্চে ওঠার পর তিনি প্রথমে উপস্থিত নেতা ও কর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, এরপর তিনি নির্বাচনী প্রেক্ষাপট ও বিএনপির পূর্ববর্তী শাসনকাল নিয়ে আলোচনা করেন। সমাবেশে উপস্থিত জামাতের প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নায়ক আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে উল্লেখ করা হয়, যাকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তারেক রহমান সমাবেশে উল্লেখ করেন, “কিছু দল আছে যারা দেশের মানুষকে ধোঁকা দিয়ে ভোট জিততে চায়, কিন্তু এ ধরনের কৌশল দীর্ঘমেয়াদে কোনো ফল দেয় না।” তিনি বলেন, “রাজনীতি করা মানেই জনগণের কাছে ফিরে আসা, আর ধোঁকা দিয়ে কোনো লাভ নেই।”

বিএনপি শাসনকালের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “বিএনপি আল্লাহর রহমতে বহুবার দেশ পরিচালনা করেছে এবং শাসনকালে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পদ্ধতি জানে।” এ কথায় তিনি দলের শাসনকালের সাফল্য ও অভিজ্ঞতার ওপর জোর দেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হিসেবে তিনি প্রতিটি গৃহে একটি ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং মা-বোনদের প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। এছাড়া তিনি বলেন, “সরকারের তহবিলের সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে আমরা প্রথমে গ্রামীণ দরিদ্রদের জন্য সাত দিনের জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেব।”

তারেক স্পষ্ট করে জানান, “আমরা একবারে সবকিছু দিতে পারব না, তবে ধীরে ধীরে এবং পরিকল্পিতভাবে কাজটি এগিয়ে নেব। সরকারের অর্থকড়ি ব্যবস্থা থাকায় অল্প অল্প করে অগ্রসর হওয়া হবে।” এভাবে তিনি আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবায়নের ধাপ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন।

বিএনপি শাসনের পাঁচ বছরের মেয়াদে তিনি লক্ষ্য রাখছেন যত বেশি সম্ভব মায়েদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া। তিনি বলেন, “এই লক্ষ্য অর্জনে কোনো মারপ্যাঁচ নেই, শুধু সোজাসাপটা কাজ করা হবে।” এ ধরনের প্রতিশ্রুতি ভোটারদের কাছে দলের দায়িত্বশীলতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা তুলে ধরার উদ্দেশ্য বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

এই সমাবেশের পরবর্তী ধাপ হিসেবে বিএনপি চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা‑১১) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা তীব্র করবে এবং জামাতের প্রার্থীকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চিহ্নিত করে ভোটারদের কাছে তারেকের পরিকল্পনা ও সমালোচনা তুলে ধরবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, এই ধরনের সমাবেশ পার্টির ভিত্তি শক্তিশালী করতে এবং ভোটারদের কাছে পরিষ্কার বার্তা পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments