বাংলাদেশের নারী ফুতসাল দল দেশের প্রথম ফুতসাল টুর্নামেন্টে শিরোপা জয় করে, এবং বিজয়ী দলকে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বিশেষ শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। শিরোপা জয়ী তিনজন খেলোয়াড়—সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী এবং সরকার—ট্রফি হাতে তুলে দেশের ক্রীড়া জগতে গর্বের মুহূর্ত তৈরি করেছেন।
প্রতিযোগিতাটি দেশের প্রথম ফুতসাল নারী ইভেন্ট হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশীয় দলগুলো একে অপরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত ম্যাচে বাংলাদেশ দল শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে। এই জয় দেশের ক্রীড়া সংস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।
বিজয়ী দলকে গর্বিত করে তোলার পেছনে সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী এবং সরকার নামের তিনজন খেলোয়াড়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যদিও ম্যাচের নির্দিষ্ট স্কোর বা গোলের সংখ্যা প্রকাশিত হয়নি, তবে তাদের সমন্বিত খেলা এবং দৃঢ়সংকল্পই চ্যাম্পিয়নশিপের মূল চাবিকাঠি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দলটি ট্রফি হাতে তুলে নেওয়ার সময় উল্লাসের স্রোত বয়ে গিয়েছিল।
দলীয় সদস্যরা বিজয়ের পর একে অপরকে অভিনন্দন জানিয়ে, দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে সীমিত সম্পদ সত্ত্বেও স্পোর্টসম্যানশিপ এবং প্রতিভা দিয়ে তারা শীর্ষে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও তরুণী খেলোয়াড়ের জন্য অনুপ্রেরণা হবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্টে তিনি দলের সাফল্যকে “অনুপ্রেরণামূলক খবর” হিসেবে উল্লেখ করে, দেশের সীমিত সম্পদে চ্যাম্পিয়ন হওয়া একটি বড় অর্জন বলে প্রশংসা করেছেন। তিনি লিখেছেন, “প্রচারণার সময় বাংলাদেশের কিছু অনুপ্রেরণামূলক খবর জানতে পেলাম, প্রথম সাফ নারী ফুতসালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নারী ফুতসাল দলকে অভিনন্দন।” এই বাক্যটি তার সামাজিক মিডিয়া পোস্টের মূল বক্তব্যকে সংক্ষেপে তুলে ধরে।
তারেক রহমানের পোস্টে তিনি স্পোর্টসের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নের প্রয়োজনীয়তা জোর দিয়ে বলেছেন, “তাদের লালন-পালন এবং ক্ষমতায়ন করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত, যাতে বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের গর্ব এবং সম্ভাবনা তুলে ধরতে পারে।” তিনি দেশের ক্রীড়া নীতি ও নারী খেলোয়াড়ের উন্নয়নে সরকারের ভূমিকা উল্লেখ করে, ভবিষ্যতে আরও সমর্থন ও বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।
এই সময়ে তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণ করে ভোটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন এবং একই সঙ্গে নারী ক্রীড়া সাফল্যকে দেশের গর্বের অংশ হিসেবে তুলে ধরছেন। তার প্রচারণা এবং ক্রীড়া শুভেচ্ছা একসঙ্গে দেশের যুবকদের জন্য ইতিবাচক উদাহরণ স্থাপন করছে।
তারেকের মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে নারী ফুতসাল দলের সাফল্য কেবল একটি ক্রীড়া বিজয় নয়, বরং সামাজিক পরিবর্তনের সূচক। তিনি উল্লেখ করেছেন, “সীমিত সম্পদে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দেখায় যে সঠিক প্রশিক্ষণ ও সমর্থন দিয়ে নারীরাও আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করতে পারে।” এই দৃষ্টিভঙ্গি নারী খেলোয়াড়ের জন্য নীতি নির্ধারকদের দিকনির্দেশনা দিতে পারে।
বাংলাদেশের ক্রীড়া সংস্থা এখন এই সাফল্যকে ভিত্তি করে নারী ফুতসাল ও অন্যান্য ক্রীড়া শাখায় আরও টুর্নামেন্ট ও প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করার পরিকল্পনা করছে। শীঘ্রই দেশের বিভিন্ন শহরে নতুন ফুতসাল লিগের সূচনা হবে, যা তরুণী খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করবে।
সারসংক্ষেপে, প্রথম নারী ফুতসাল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বিজয় ক্রীড়া জগতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, এবং বিএনপি চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা এই সাফল্যকে জাতীয় গর্বে রূপান্তরিত করেছে। ভবিষ্যতে আরও সমর্থন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের নারী ক্রীড়া শক্তি আরও দৃঢ় হবে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে।



