কুড়িগ্রাম রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তিস্তা নদীর পারের চর গতিয়াসাম গ্রামে সন্ধ্যাবেলায় অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি পরিবারের বারোটি ঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়। আগুনের সূত্রপাত হানিফ আলীর এককটিভ ঘর থেকে শুরু হয়ে দ্রুত আশেপাশের টিনের ঘরবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত না হওয়ায় স্থানীয়রা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে সম্ভাব্য উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছে।
হানিফ আলী এবং তার তিন পুত্রসহ প্রতিবেশী এরশাদ আলীর পরিবারসহ মোট পাঁচটি গৃহস্থালী এই অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত সম্পদে টিনের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, ধান-চাল, কাপড়চোপড় এবং নগদ অর্থ অন্তর্ভুক্ত। পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে অস্থায়ী শরণার্থী অবস্থায় বসবাস করছে।
চরাঞ্চলের সীমিত পানির সরবরাহ এবং অগ্নি নির্বাপণ সরঞ্জামের অভাবে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে অক্ষম ছিলেন। কয়েকজন গ্রামবাসী আগুনে লড়াই করার চেষ্টা করলেও পানির ঘাটতি দ্রুত বিস্তার রোধে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
কাউনিয়া থানা থেকে একটি ফায়ার সার্ভিস দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং গ্রামবাসীর সহযোগিতায় দীর্ঘ সময়ের প্রচেষ্টার পর অগ্নি নিভাতে সক্ষম হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উল্লেখ করেন যে, চরভূমির বিশেষ ভূগোলিক অবস্থান এবং সরবরাহের অপ্রতুলতা তাদের কাজকে কঠিন করে তুলেছিল।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও তদন্তাধীন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, বৈদ্যুতিক সংযোগে ত্রুটি বা শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, তবে তা নিশ্চিত করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
হানিফ আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জানান, “কীভাবে আগুন ধরেছে আমরা জানি না, সবকিছুই আগুনে পুড়ে গিয়েছে।” তার কথায় নিঃস্বতার গভীর বেদনা স্পষ্ট। তিন পুত্রের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য তৎক্ষণাৎ সাহায্য প্রয়োজন।
রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান ঘটনাটির তথ্য জানিয়ে বলেন, উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে কম্বল, খাবার এবং মৌলিক সামগ্রী সরবরাহ করেছে। এছাড়া, অস্থায়ী শরণস্থল হিসেবে কয়েকটি স্কুলের হল ও কমিউনিটি সেন্ট



